ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » উপজেলার খবর » ইউপি মেম্বার আলমাস ডাকাতিয়ার মাটি লুট করে ১০ বছরে কোটিপতি
ইউপি মেম্বার আলমাস ডাকাতিয়ার মাটি লুট করে ১০ বছরে কোটিপতি

ইউপি মেম্বার আলমাস ডাকাতিয়ার মাটি লুট করে ১০ বছরে কোটিপতি

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের মোড়েশ্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মাটি খেকো আলমাস ডাকাতিয়া নদীর মাটি হরিলুট করে চলছে। সে বিগত ১০ বছর যাবৎ ডাকাতিয়া নদীর মাটি লুট করে বিক্রি করে আসছে ভিবিন্ন ব্রীকফিল্ড ও ব্যক্তিদের কাছে। নদীর মাটি লুট করে সে এখন কোটি টাকার মালিক বনে যান বলে জানান নাম প্রাকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক সমাজপতি।
জানা যায়, ডাকাতিয়া নদীর উপজেলার মৌকারা ইউনিয়নের পৌছির, করাকোট, পরকরা, মোড়েশ্বর, গোরকমুড়া, নারানদিয়া, চারিতুপা অংশের মাটি ডাকাত নামে চিহিৃত মোড়েশ্বর গ্রামের আলমাস মেম্বার। যার একমাত্র কাজ ডাকাতিয়া নাদীর মাটি বিক্রি। সে ক্ষমতাসীন ইউপি সদস্য হওয়ায় তার ভয়ে এলাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। মাটি ব্যবসা নির্বিঘ্ন করতে তার রয়েছে একাদিক বাহিনী। সেখানে কেউ মাটি ডাকাতিতে বাধা দিলেই তার উপর নেমে আসে অত্যাচার। টানা ১০ বছর ড্রেজার ও ট্রাক্ট্রর দিয়ে নদীর মাটি লুট করে সে বনে গেছে কোটিপতি। তার অবৈধ সম্পদের কাছে এখন আইন শৃংখলা যেন তুচ্ছ। ডাকাতিয়া নদীর মাটি লুটের বিষয়ে সাংবাদিকরা এ মাটি খেকোকে ফোন দিলে সে বলে বহু লোক বক্তব্য নিয়েছে কেউ আমার কিছুই করতে পারিনি, আপনারাও কিছু করতে পারবেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোরকমুড়া গ্রামের একাদিক সমাজপতি বলেন, ডাকাতিয়া নদী আমাদের গ্রামের অংশে আলমাস মেম্বার কয়েক হাজার ট্রাক মাটি বিক্রি করেছে। সে একরাতেই প্রায় শতাধীক ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কেটে নেয়। এছাড়া সে গোরকমুড়া গ্রামে বিশাল একটি দিঘি সহ এলাকার অর্ধশত পুকুর নদী থেকে মাটি নিয়ে ভরাট করে রেখেছে। প্রশাসন যখন কোন অভিযানে আসে তখন সে নিজ পুকুরের মাটি বিক্রি করছে বলে তাদেরকে দেখায়। প্রকৃত পক্ষে সে প্রতি বছর এ পকুর গুলো ভরাট করে রাখে পরে আবার মাটি বিক্রি শেষ হলে পুনঃরায় ভরাট করে। এ বিষয়ে আমরা নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ করি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আশ্রাফুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আশ্রাফুল হক বলেন, যে বিষয়ে অভিযোগ করেছে সেই স্থানে মূলত ব্রীজের ফাইলিং করাতে গিয়ে যে মাটি উঠেছে সে গুলো স্তুপ দিয়েছে, ফাইলিং শেষে মাটি গুলো আবার পিলারের পাশে দিতে হবে। নদীর মাটি দিয়ে পুকুর ভরাট করে সেই মাটি বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com