ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » জেলার-খবর » কক্সবাজারে শিক্ষিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা

কক্সবাজারে শিক্ষিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে এক স্কুল শিক্ষিকা দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে ওই শিক্ষিকা কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন জানান, গতকাল মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ওই শিক্ষিকার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

মামলায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা ইউনূছঘোনা এলাকার বেদার মিয়ার (২৮) নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো তিনজনকে আসামি করা হয়।

এজাহার অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট রাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে এক আত্মীয়ের মেহেদি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ওই স্কুল শিক্ষিকা। অনুষ্ঠানে কথা হয় বেদার মিয়ার সঙ্গে। পরদিন ১৯ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে স্বজনের বাড়ি থেকে ইজি বাইকে করে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। প

 

র সহযোগীরা ইজি বাইক থামায়। এরপর দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে শিক্ষিকাকে ইউনিয়নের চান্দেরপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে তারা ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিক্ষিকার চিৎকারে তারা পালিয়ে যায়।

মামলা করতে বিলম্ব হওয়ার কারণ হিসেবে এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনা ঘটার পর ওই শিক্ষিকা প্রথমে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। এ ছাড়া তিনি থাকেন রামু উপজেলা এলাকায়। এ জন্য মামলা করতে বিলম্ব হয়।

শিক্ষিকার স্বজনরা জানায়, ভুক্তভোগী নারী রামুর একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ঘটনা জানার পর পরিবারের লোকজন প্রথমে রামু থানায় যায়। সেখান থেকে তাদের কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠানো হয়। সোমবার দিবাগত রাতে মামলা নেয় কক্সবাজার সদর মডেল থানা।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ওই নারীর এজাহার পাওয়ার পর মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

সিলেটে আটকে রেখে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

সিলেট অফিস জানায়, সিলেটে এক তরুণীকে (২৩) বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও সহযোগিতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানায় মামলা দায়েরের পর গতকাল মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাছননগর গ্রামের জুবায়ের হোসেন (২৮) ও তাঁর স্ত্রী জুলেখা ওরফে জুলি (১৯) এবং সিলেটের জালালাবাদ থানার নাজিরেরগাঁওয়ের জয়নাল মিয়া (৪০)। ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহে। তিনি ঢাকায় বসবাস করেন।

জানা গেছে, সিলেটের জালালাবাদ থানার নাজিরেরগাঁও এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে গত শুক্রবার রাত থেকে রবিবার রাত ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ওই তরুণীকে সাতজন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এ কাজে তাঁদের সহযোগিতা করেন জুলি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী ঢাকার একটি থানায় অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সিলেটের জালালাবাদ থানায় মামলা হয়। মামলার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com