ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » বরিশাল বিভাগ » কুয়াকাটায় মাটির নীচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সাবমেরিনের হাই ভোল্টেজ পাওয়ার ক্যাবল
কুয়াকাটায় মাটির নীচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সাবমেরিনের হাই ভোল্টেজ পাওয়ার ক্যাবল
--পাওয়ার ক্যাবল

কুয়াকাটায় মাটির নীচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সাবমেরিনের হাই ভোল্টেজ পাওয়ার ক্যাবল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুয়াকাটায় মাটির নীচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সমুদ্র থেকে উঠে আসা দেশের দ্বিতীয় সাব-মেরিন ল্যান্ডিংস্টেশনের হাই ভোল্টেজ ডিসি পাওয়ারের সংযোগ ক্যাবল। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জিরো পয়েন্টের সামান্য পূর্বদিকে বেরিয়ে আসা এ ক্যাবল যেকোন অসাবধনতায় ক্ষতি সাধিত হলে বিছিন্ন হয়ে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ল্যান্ডিং স্টেশনের সকল ধরনের সার্ভিস। এবং দেশের কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। 

ধারনা করা হচ্ছে  আস্বাভাবিক জোয়ারের ঢেউয়ের ঝাপটায় ও  বালুক্ষয়ের ফলে মাটির অগভীরে থাকা এ ক্যাবল বেরিয়ে এসেছে।
দেখা গেছে ক্যাবলের লোহার কাভারের ভিতরে অধিকাংশ কাভারের নাট ছুটে গেছে এবং নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। 

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক তরিকুল ইসলাম জানান, এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। খবর পেয়ে দ্রুত  ঘটনাস্থলে গিয়ে পর্যবেক্ষন করেছি। বিষয়টি উর্ধ্বতনদের জানানো হয়েছে। বর্তমানে (২৪ ঘন্টা) সার্বক্ষনিক নজরদারির জন্য সিকিউরিটি গার্ড নিযুক্ত করা হয়েছে। কুয়াকাটা পর্যটন পুলিশকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে শুক্রবার অথবা শনিবার সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য ৯ আগস্ট আলীপুরের এক জমির মালিক স্কাবেটর দিয়ে বালু তুলে রাস্তা নির্মাণ করতে  গিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের (এসইএ-এমই-ডবিøউ-৫) পাওয়ার সাপ্লাই অপটিক্যাল ফাইবার অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে  ক্ষতিগ্রস্থ করে।  এতে সারা দেশের গ্রাহকরা ইন্টারনেট ব্যবহারে ধীর গতির সমস্যায় পড়েন। 
ফলে সাবমেরিন কর্তৃপক্ষের দায়ের কৃত মামলায় কুয়াকাটা পৌর মেয়রের ভাই ও ব্যবসায়ী আবু হোসেন কে পুলিশ গ্রেফতার করে বর্তমানে সেই মামলায় তারা জেলে। তবে এলাকাবাসী বলছে তাদের কাজটি নিছক একটি দূর্ঘটনা মাত্র। 
স্থানীয়রা জানান, কোন সাংকেতিক নির্দেশনা চিহ্ন ছাড়া মাটির সামান্য নিচ দিয়ে কুয়াকাটা সৈকত থেকে গোড়া আমখোলা পাড়ায় ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত সংযোগ ক্যাবল টানার ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে যার প্রথম খেসারত পৌর মেয়রের ভাই হোসেন মোল্লা ও ব্যাবসায়ী আবুল হোসেন কে  জেল খেটে দিতে হচ্ছে।
তারা আরো জানান, সাবমেরিন কর্তৃপক্ষ যখন তাদের লাইন কোথা থেকে গেছে তার কোন নির্দিষ্ট মার্কিং বা সংরক্ষিত এড়িয়া করে দেয়নি সেহেতু যে কোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা ঘাটতে পারে এর দায়ভার কর্তৃপক্ষের কারন সাধারণ মানুষ তো আর জানেনা কোথা দিয়ে কোথায় তাদের সংযোগ গিয়েছে ফলে অযথা মামলা দিয়ে মানুষ হয়রানি করা মোটেই উচিৎ নয়। তাই এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত সম্ভব সাবমেরিন কর্তৃপক্ষের উচিৎ মার্কিং করে দেওয়া তাদের লাইন এবং যেখানে তার বেরিয়ে গেছে দ্রুত সংস্কার করা।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*