ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » চট্টগ্রাম বিভাগ » খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, আবার মাঝখানে গর্ত
খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, আবার মাঝখানে গর্ত

খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, আবার মাঝখানে গর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের উপর দিয়ে বড় ধরণের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ।
সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দ-টুলা গ্রামের জাফর খালের উপর অবস্থিত ‘ঘরের পার’ নামের ব্রিজটির মাঝখানে গর্ত দেখা দিয়েছে। এই ব্রিজের উপর দিয়ে জীবন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সাধারণ মানুষ। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
এদিকে ব্রীজের পাশেই রয়েছে সৈয়দ-টুলা উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রয়োজনে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করছে ‘ঘরের পার’ ব্রিজের উপর দিয়ে।ব্রিজটি ছোট হলেও এর উপর দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক  মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে।
সৈয়দ-টুলার গ্রামের মানুষের গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটির মাঝখানে গর্ত থাকায় এখন রিকশা চলাচল করতে পারছে না, ব্রিজের উপর দিয়ে মানুষও যেতে পারে না । সেই সাথে বিভিন্ন সময় ঘটেছে নানান দুর্ঘটনাও। তাছাড়া রাতে ব্রিজটি পাড় হতে গিয়ে তাকে চুরি-ছিনতাইয়ের ভয়।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এমন কি ব্রিজের মাঝখানে একটি বড় গর্ত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি পুন-র্নির্মাণের না করা হলে এলাকার মানুষ যাতায়াতে অসুবিধা হবে এবং দ্রুত পুন-নির্মানের জন্য যাবি জানাচ্ছে৷
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ব্রিজটি দিয়ে রাতে চলাফেরা করতে অনেক ভয় লাগে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল নিয়ে রাতে চলাচল করতে ভয় আরও বেশী, কারন গর্তের মধ্যে পড়ে যাই কিনা।
এব্যাপারে তারা আরও জানান, এই গ্রামের মানুষের জন্য ব্রিজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কিছু দিন আগে আমরা ব্রিজের গর্তে লোহার জালি দিয়েছি। জনপ্রতিনিধির কোন খোঁজ নেয়। এভাবে ব্রিজটি পড়ে থাকলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার জানান, এই ব্রিজটি নতুন করে নির্মাণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্যে ব্রিজের গর্ত বরাট করে দেওয়া হবে।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*