ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » বরিশাল বিভাগ » নির্মান কাজে অনিয়ম বছর না ঘুরতেই বিলিন হয়ে যাচ্ছে নিজামপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রক বাধ!
নির্মান কাজে অনিয়ম বছর না ঘুরতেই বিলিন হয়ে যাচ্ছে নিজামপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রক বাধ!

নির্মান কাজে অনিয়ম বছর না ঘুরতেই বিলিন হয়ে যাচ্ছে নিজামপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রক বাধ!

মহিপুর থানা প্রতিনিধি :

নির্মান  কাজ শেষ হওয়ার এক বছর না যেতেই ভাংগতে শুরু করেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার নিজামপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ। ফলে এক যুগের পানিবন্ধী দশা থেকে এলাকাবাসী মুক্তি পেলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে পুরনো সে শংকা। আর এজন্য পানি উন্নয়ন বোডের অপরিকল্পিত প্রকল্প প্রনয়নসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিন্মমানের কাজকে দায়ী করেছেন এলাকাবাসী।

২০০৭ সালে ঘুনিঝড় সিডরের আঘাতে ভেংগে যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ার নিজামপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ। এরপর কয়েক দফা পুনঃনিরমান কাজ করা হলেও তা টেকসই না হওয়ায় ফি বছরই ভেংগে যায়। এতে বছরের প্রায় ছয় মাস দুদফা জোয়ারের পানিতে বন্ধী হয়ে পড়ে সাগর মোহনার চারটি গ্রামের প্রায় আট হাজার মানুষ। নদীতে বিলীন হয়ে যায় একর ফসলি জমি, বসত ভিটা। আনাবাদী থাকে ফসলি জমি। এলাকাবাসীর দুরভোগ লাঘবে পামি উন্নয়ন বোড ২ কোটি টাকা ব্যায়ে চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৮৮৫ মিটার বাধের নিরমান কাজ জুন ২০১৯ সালে  সম্পন্ন করে। যেখানে ৫ প্যাকেজে ৪ কাজ শুরু করে তখন স্থানীয়দের কাজের ক্ষেত্রে অনিয়ম চোখে পড়ায় তারা কাজের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে জানায়। তখন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ বলেন বাধ নির্মানে জিও ব্যগের ভিতরে থাকা বালু ও সিমেন্ট ১ মাসের ভিতরে একত্রিত হয়ে জমাট বেধে যাবে। কিন্তু ৩০ জুন ২০২০ এ কাজ শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত তা জমাট বাধেনি কারন ব্যাগের ভিতরে বালুর থেকে সিমেন্টের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
 মানহীন কাজের কারনে বছর না যেতেই বিলিন হতে যাচ্ছে সরকারের কোটি টাকা ব্যায়ে বেরিবাধের  নিজামপুর ও সুধীরপুরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ  আংশ।
স্থানীয় হানিফ চৌকিদার জানান কাজের সময় আমরা অনিয়মের প্রতিবাদ জানাই কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাতে কর্নপাত করেনি।
নুরজামাল হাওলাদার জানান কাজ শেষ হইছে ৩ মাস হয়েগেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত ব্যাগের ভিতরে বালু জমাট বাধেনি যার খেসারত আমাদের গ্রামবাসীদের দিতে হচ্ছে। 

সালাউদ্দীন রাড়ী জানান প্রতি বছরে সরকারি ভাবে বেরিবাধ নির্মাণ করার জন্য মোটা অংকের বরাদ্দ আসে নামমাত্র কাজ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তা ভাগাভাগি করে খায়। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মুসফিকুর রহমান  শুভ বলেন আমাদের জানামতে কাজের ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম হয়নি। তবে আম্ফান বন্যার কারনে কাজ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হইছে যা আমরা পূনরায় নির্মান করে দিয়েছি।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*