কয়েক মাস ধরেই দেশে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এমন পরিস্থিতিতে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। অনুমতি পাওয়ার পর ১২ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় আমদানি। কিন্তু শুল্ক জটিলতায় বন্দর থেকে চাল খালাস করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা।
ভারতীয় চাল বাজার আসার পরও দাম না কমায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতের চাল এক-দুই দিন হয় বাংলাদেশে ঢুকছে। যেগুলো বাজারে ৮০ থেকে ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় চাল আরো ঢুকলে হয়তো বাজারটা একটু কমতে পারে।
আমদানিকারকরা জানান, দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে মোটা চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। চাল আমদানিতে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে।
তিনি বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি দিতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ২৩ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার শেষ সময় ছিল। সারা দেশের মতো বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা চাল আমদানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আমরা বেনাপোল স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছি। আমদানির অনুমতিপত্র বা আইপি পাওয়ার পর অনেকে এলসি খুলেছেন, যার বিপরীতে বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানির অনুমতিপ্রাপ্ত আরো আমদানিকারকরা পর্যায়ক্রমে এলসি খুলছেন। ফলে আগামী রবিবার থেকে চাল আমদানি বাড়তে পারে।
চাল আমদানির ফলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে। কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা দাম কমে যাবে। ভালো মানের চিকন জাতের চাল ৬৭ থেকে শুরু করে ৭০ টাকার মধ্যে থাকবে। মোটা স্বর্ণা জাতের চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকার মধ্যে থাকবে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বন্ধের পর শুরুর প্রথম দিনে ৯ ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। আরো অনেক চালবোঝাই ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
