Wednesday , 22 May 2024
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
ব্রেকিং নিউজ
সম্পদ অর্জনে এমপিদের চেয়ে এগিয়ে চেয়ারম্যানরা: টিআইবি
--সংগৃহীত ছবি

সম্পদ অর্জনে এমপিদের চেয়ে এগিয়ে চেয়ারম্যানরা: টিআইবি

অনলাইন ডেস্কঃ

সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদে আগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। যেখানে সংসদ সদস্যদের সম্পদ বৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ ৩০৬৫ শতাংশ, সেখানে একজন চেয়ারম্যানের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে ৪২০০ শতাংশের বেশি। এবারের নির্বাচনে প্রথম ধাপে ৭ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি।

গতকাল সোমবার ধানমণ্ডি মাইডাস সেন্টারে উপজেলা নির্বাচনে (প্রথম ধাপ) প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ ও ফলাফল নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে প্রার্থীদের মধ্যে ১১৭ জন কোটিপতি।

৫৬০ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৯৪ জন, ৬১১ ভাইস চেয়ারম্যানের ১৭ জন এবং ৪৩৫ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মধ্যে ছয়জন কোটিপতি প্রার্থী। এ ছাড়া পাঁচ বছরে উপজেলা চেয়ারম্যানদের অস্থাবর সম্পদও অনেক বেড়েছে।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থীদের সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। প্রার্থীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব রয়েছে।

টিআইবির গবেষণা বলছে, সার্বিকভাবে প্রার্থীদের ৪০ শতাংশের আয় সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে দেখানো হয়েছে। সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন মাত্র ১০ শতাংশ প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ব্যবসায়ী প্রার্থীদের দাপট বাড়ছে। ব্যবসায়ী প্রার্থীদের সংখ্যা চতুর্থ নির্বাচনের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ শতাংশে। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ৬৯.৮৬ শতাংশই ব্যবসায়ী, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের প্রায় ৬৬.৫৯ শতাংশ, নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ২৪.৩৭ শতাংশ ব্যবসাকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন।

নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ৫২.২২ শতাংশই নিজেকে গৃহস্থালি কাজকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন। তাঁদের সাড়ে ১৯ শতাংশের আয় আসে ব্যবসা থেকে, কৃষি থেকে আয় আসার উৎস দেখাননি। সার্বিকভাবে প্রার্থীদের ৪০ শতাংশই আয় দেখিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে। অর্থাৎ করযোগ্য আয় নেই তাঁদের। সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন মাত্র ১০ শতাংশ প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় কম। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নারী প্রার্থী আছেন মাত্র ২৫ জন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের হস্তক্ষেপ নিয়ে শঙ্কার মাঝে এবার বড় আলোচনার বিষয় হচ্ছে তাদের স্বজনদের মনোনয়ন।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply