ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » আইন ও আদালত » সিলেটে গণধর্ষণ ও দেহবাণিজ্য মামলায় ইউপি মেম্বারসহ ৬ জন পুলিশ রিমান্ডে:
সিলেটে গণধর্ষণ ও দেহবাণিজ্য মামলায় ইউপি মেম্বারসহ ৬ জন পুলিশ রিমান্ডে:

সিলেটে গণধর্ষণ ও দেহবাণিজ্য মামলায় ইউপি মেম্বারসহ ৬ জন পুলিশ রিমান্ডে:

মুজিব: সিলেটে গণধর্ষণ ও দেহবাণিজ্যের মামলায় এক ইউপি মেম্বারসহ ৬ জনকে পুলিশ রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেটে মেট্রোপলিটন আদালত ২-এর ম্যাজিস্ট্রেট সুমন আহমদ ভুইয়া তাদের প্রত্যেকের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে আজ রোববার তাদেরকে ফের হাজির করার কথা রয়েছে বলে আদালতের জিআরও সূত্রে জানা গেছে। গত বুধবার (২৬ অক্টোবর) সিলেট নগরের শাবি গেইটের শাহ সিকান্দর আবাসিক এলাকার ঈশান ভিলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাকৃতরা হচ্ছে, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি মেম্বার মাসুক মিয়া (৪৫), সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার খুরমা ইউনিয়নের মনিরগাতি (ডিমতা) গ্রামের আব্দুর রহমান উদ্দিনের স্ত্রী নিলুফা বেগম (৪২), জগন্নাথপুর উপজেলার লাউতা পূর্বপাড়া দক্ষিণ হাটির মৃত আজমত উল্লাহর পুত্র ফজলু মিয়া (৩৮), সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার গোলচন্দবাজার এলাকাধীন তালুুকজগত পাঠানগাওঁয়ের মফিজ আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেন(৩০), সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাগবেড় আকতাপাড়ার মৃত আব্দুল কাদির ছাদির মিয়ার পুত্র মোঃ সফর আলী (২২) ও ছাতক উপজেলার জাতুয়া গ্রামের আরশ আলীর মেয়ে সোনিয়া আক্তার মুন্নী (১৬)। আদাতসহ স্থানীয় সংবাদসূত্র সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা এক যুবমহিলা (২৫) সম্প্রতি দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার ইউনিয়নের দরগাঁও গ্রামে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। মহিলা তার ১৩ মাসের কন্যা সন্তানের জন্মসনদ করাতে কামালবাজার ইউপির ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার মাসুক মিয়ার কাছে যান। মাসুক মিয়া তাকে তাৎক্ষণিক জন্মসনদ না দিয়ে তার পারিবারিক ও অসহায়ত্বের বিষয়ে আলাপ করেন এবং ফোন নাম্বার রেখে পরবর্তীতে জন্মসনদ ও তাকে সেলাই মেশিনসহ একটি কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরবর্তী গত ২২ অক্টোবর ওই যুব মহিলাকে ফোন করে তার অফিসে ডেকে নেন এবং কাজ দেওয়ার কখা বলে একটি সিএনজি অটোরি´া করে দ্রুত তাকে সিলেট নগরের শাবি গেইটের শাহ সিকান্দর আবাসিক এলাকার ঈশান ভিলায় নিয়ে আসেন। এখানে ম্বোর অমাসুক মিয়া ওই যুবমহিলাকে একটি কক্ষে আটক করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং আটকে রেখে টাকার বিনিময়ে অন্য আরও ৩জনকে দিয়ে ধর্ষণ করান। একাজে তাকে সহায়তা করে বাসার ভাড়াটিয়া নিলুফা বেগম ও তার সহযোগী সোনিয়া আক্তার মুন্নী । গত ২৩ অক্টোবার বাতে ওই মহিলা কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিেিত ভর্তি হন । চিকিৎসা শেষে এসএমপি’র জালাবাদ থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার থেতে ইউপি মেম্বার মাসুক মিয়াকে এবং ঘটনাস্থল শাবি গেইটের ঈশান ভিলা থেকে অন্য ৫ জনকে আটক করে। এ ঘটনায় ইউপি মেম্বার মাসুকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এসএমপি’র জালালাবাদ থানায় মামলা {নং-২৮(১০)২১২} রুজু করা হয়। মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাইলে আদতালত তাদের প্রত্যেকে ২দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে আজ রোববার আদালতে হাজির করার কখা খাকলেও গতকাল শনিবার পর্যন্ত আসামীদের কারাগ্রা থানা রিমান্ডে নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল হুদা খানেকে ফোন করা হরে তিনি মি,টিং নিয়ে ব্যবস্ত আছেন বলে কোনো বক্তব্য দেন নিস। মামরার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাহবুবুল আলম মন্ডলের সাথে শনিবার দুপুরে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মামলা ও প্রত্যেক আসামীর ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার কথা স্বীকার করেন।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com