ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » চট্টগ্রাম বিভাগ » স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চালুর দাবি চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের
স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চালুর দাবি চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের

স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চালুর দাবি চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বৃহত্তর চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে অটোরিকশা- অটোটেম্পু ও গণপরিবহণের কিছু অংশ চালু করার দাবি জানান।

আজ শনিবার ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক এম. জসিম রানা সদস্যসচিব উজ্জ্বল বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়- কোভিড-১৯-এর কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত দেশব্যাপি ৩য় দফা লক-ডাউনেও সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি সড়ক পরিবহণ খাতের কর্মরত শ্রমিকরা। করোনা ভাইরাস মহামারী প্রতিরোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী প্রসংশিত হয়েছেন। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।

তারা বলেন, জনপ্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশনায় সড়ক পরিবহণ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সর্বাত্মক সাহায্যের নির্দেশ থাকলেও বৃহত্তর চট্টগ্রামের কোথাও ৩য় দফা লকডাউনে অদ্যবদি কিছুই পাইনি সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা। জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রম দপ্তর বরাবরে আবেদন করেও কোন সুরাহা পাওয়া যাচ্ছে না। নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, তথাকথিত শ্রমিক-মালিক নেতৃত্বের ব্যানারে টার্নিনাল/পার্কিং/স্ট্যান্ড এলাকায় জিপি এবং কল্যাণের নামে হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায়কারীরা হাউস কোরাইন্টানে বসে মহামারী পরবর্তী সুযোগ বুঝে ফন্দি পাকাচ্ছে কিভাবে সাধারণ শ্রমিকদের শোষণ করা যায়। অতীব দু:খ ও ক্ষোভের সাথে বলতে হয় এই সড়ক পরিবহণ শ্রমিক নেতৃত্বের পুঁজিতে অনেকেই প্রকৃত শ্রমিক না হয়েও শ্রমিক নেতৃত্ব দখল করে রাষ্ট্র ক্ষমতার অংশীদার হয়ে শত কোটি টাকা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অর্থে বিদেশে বেগম পাড়ার মেম্বার হয়েছেন একই কায়দায় চট্টগ্রামেও দুই ব্যক্তি চাঁদাবাজির অর্থে আলিশান গাড়ি বাড়ির মালিক হয়েছেন। অথচ কোভিড-১৯-এ সৃষ্ট মহামারিতে সড়ক পরিবহণ শ্রমিকদের দুর্দিনে পাশে নেই ঐ অশ্রমিক শ্রমিক নেতারা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি সড়ক পরিবহণ খাতের শ্রমশক্তি বাঁচিয়ে রাখতে ইউনিয়ন/ ওয়ার্ড পর্যায়ের স্থানীয় ভোটার বিবেচনায় না নিয়ে বসবাসকারী বিবেচনায় শ্রমিক প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে ওয়ার্ড কমিশনার/ চেয়ারম্যানগণের সমন্বয়ে কর্মহীন পরিবহণ শ্রমিকদের তালিকা প্রণয়ন করে সরকারি বরাদ্ধকৃত ত্রাণ ও রেশন কার্ড প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে অটোরিকশা-অটোটেম্পু ও গণপরিবহণের কিছু অংশ চালু করার দাবি জানান এবং লক-ডাউন প্রত্যাহার করার পূর্বেই জাতীয় ভিত্তিক একটি ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত কতিপয় বেসিক ইউনিয়নের শ্রম আইন পরিপন্থি সংগঠন পরিচালনা ও কল্যাণের নামে চাঁদাবাজি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়ে বলেন, তথাকথিত ফেডারেশনের নেতৃত্বে থাকা অশ্রমিক শ্রমিক নেতাদের অতীত রেকর্ড খতিয়ে দেখে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির দায়ে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com