Tuesday , 20 October 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » পাচঁফোড়ন » সেই নরসুন্দর শেফালী রানীকে জমি ও ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নরসুন্দর শেফালী রানীকে জমি ও ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেই নরসুন্দর শেফালী রানীকে জমি ও ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ার নরসুন্দর শেফালী রানীকে জমি ও ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এমপি কাঁঠালিয়ার দোগনা গ্রামে গিয়ে শেফালী রানীর হাতে জমির দলিল তুলে দেন।

তাকে চার শতাংশ জমিতে তিনলাখ টাকা ব্যয়ে একটি একতলা ভবন করে দেওয়া হবে। জমিতে ভবন নির্মাণের সুসংবাদ শুনে শেফালী রানী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শেফালী রানীর দুরবস্থার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছে। প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের খবর রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশে শেফালী রানীকে চার শতাংশ জমি ও একটি ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। পরে দোগনা বাজারে সুধিজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুল রহমান।

জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এমপি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালায়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোহসীন, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন ও কাঁঠালিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমাদুল হক মনির ও শৌলজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহামুদুর রহমান রিপন।

১৫ বছর আগে স্বামী নিরুদ্দেশ হওয়ার পর অসহায় হয়ে পড়েন শেফালী রানী শীল (৫০)। পাঁচ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া ও সংসার চালানো দায় হয়ে পড়ে তার। বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ শুরু করেন। সেখান থেকে যে টাকা পাওয়া যেতো, তা দিয়ে কোনো রকমের খাবার ঝুটতো। কখনো একবেলা খেয়ে পুরো দিন কাটতো ছয় সদস্যের এ পরিবারের। বাধ্য হয়ে স্বামী পেশাকে বেছে নিলেন তিনি। সেই থেকে ১৫ বছর ধরে পুরুষের চুল দাড়ি কাটছেন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার দোগনা গ্রামের শেফালী রানী। দোগনা বাজারে এক প্রবাসীর ঘরের বারান্দায় তিনি সেলুন দেন। এ কাজেই চলছে তার ছয় সদস্যর সংসার। সামান্য আয়ে অভাব অনটনের মধ্যে কেটে যাচ্ছিল তার দিন।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*