Saturday , 24 October 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » জাতীয় » ২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে
২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

ঢাকা:  স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলাদেশের দিকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মিজমিজি অক্সফোর্ড হাই স্কুলে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ র‍্যাব। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আরিফুল ইসলাম। তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, ‘আমি পাঁচ বছর ধরে একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তা করেছি। অনেক শিক্ষার্থীকে ব্লাকমেল করে অবৈধভাবে ছবি তুলেছি, গোপনে ভিডিও করেছি। আমি বড় অপরাধ করেছি। আমি শিক্ষক হিসেবে লজ্জিত। আমার শাস্তি হওয়া উচিত।’

এর আগে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে গণপিটুনি দেয়। মিজমিজি এলাকার বাসিন্দা রাকিব হাসান জানান, দুই দিন আগে অক্সফোর্ড হাই স্কুলের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরির জন্যে প্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার বাবা-মা ও এলাকার অন্যদের জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন ওই শিক্ষকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। আর তা নিয়ে রীতিমত চক্ষুচড়ক অবস্থায় হয়।

জানা যায় অভিযুক্তের ফোনে একাধিক শিক্ষার্থীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দেখতে পান স্থানীয় মানুষ। যা দেখে রীতিমত ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন। এরপরেই ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিষয়টি র‌্যাবকে জানান। পরে র‌্যাব সদস্যরা আরিফুল ইসলাম ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাবের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, ‘শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত অক্সফোর্ড স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং স্কুলের বাইরের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কৌশলে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে আমরা জেনেছি। পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী তার যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আরিফুল ইসলামের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আর সেখানে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ছবি পাওয়া গিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।’

এক অভিভাবক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষকের কাছে শিক্ষার্থীরা যদি নিরাপদ না থাকে তার চেয়ে দুচিন্তার আর কিছু নেই। আমি ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

About Sakal Bela