তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই, পানিবন্দি মানুষ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চর অঞ্চলগুলোতে বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ।

বুধবার রাত ৯টায় তিস্তার পানি ৫২.৩৫ বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।। তিস্তা ব্যারেজ দোয়ানী পয়েন্টে তিস্তা পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। আর তাই ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তা নদীর চর এলাকাগুলোতে লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চর এলাকাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। উজানের পানি ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা ও জলবন্ধতা দেখা দিয়েছে।

এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার, গড্ডিমারী, সানিয়াজান, সিঙ্গীমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে জলাবন্ধতার কারণে বেশ কিছু পরিবার পানিবন্দি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে দোয়ানী ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের পানি ও থেকে বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপদসীমা অতিক্রম করে নাই। তবে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফেরদৌস আহমেদ বলেন, এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ পানিবন্দি পরিবারের খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন বলেন, আমি নিজে এলাকা ঘুরে ঘুরে বন্যার খোঁজ-খবর নিচ্ছি।