Friday , 23 October 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » উপজেলার খবর » প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ঠিকানায় নৌকা ছাড়া যাওয়া যায় না !!!

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ঠিকানায় নৌকা ছাড়া যাওয়া যায় না !!!

নীল রতন কুন্ডু নিলয়, কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ
স্বপ্নের ঠিকানা এমন একটি  ঠিকানার নাম, যে ঠিকানায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য একটি স্বপ্নের আবাসস্থল তৈরি করেছে বাংলাদেশ সরকার। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশে সরকারের অন্যতম একটি সফল মেগাবিদ্যুৎ প্রকল্প পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কেন্দ্রটি বিনির্মানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সদস্যদের  বসবাসের জন্য ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ নামক একটি আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়।  স্বপ্নের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যখন নির্মাণ করার পরিকল্পনা হাতে নেয় সরকার  তখন স্থানীয় বহু মানুষ এই ভূমি অধিগ্রহণের  কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়েন।বাংলাদেশ সরকার তখন এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের  পাশে দাঁড়ায়। এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে বিশেষ একটি এলাকায় অত্যাধুনিক আবাসন ব্যবস্থা সম্পন্ন গৃহ নির্মাণ করে দেয় সরকার, যার নামকরণ করা হয় স্বপ্নের ঠিকানা।

বর্তমানে স্বপ্নের ঠিকানায় বসোবাসকারী প্রায় ১০০০ মানুষের চলাচলের জন্য কোন পাকা রাস্তা না থাকায় জনগন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ৯ মাস আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সয়ং নিজে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে আবাসনটি হস্তান্তরিত করেন। কিন্তুু প্রজেক্টের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “বিসিপিসিএল কোম্পানি”র অবহেলায় আজ অবদি উক্ত সড়ক টি নির্মান করা হয়নি।সামান্য বৃষ্টি হলেই এই কাঁচা সড়কটি পানিতে ডুবে একাকার হয়ে যায়। যার ফলে প্রায় ২০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা লাভের জন্য বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না।কর্মজীবী লোকরা সঠিক সময় কাজে যোগদান করতে পারছেন না। গ্রামবাসীর অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি বার বার অবহিত করা হলেও তিনি কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ তালুকদার জানান স্বপ্নের ঠিকানার এই রাস্তাটি করার জন্য গত কিছুদিন পূর্বে বাংলাদেশ সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা যখন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন তখন  আমি তাকে এ রাস্তাটি করার জন্য অনুরোধ করেছি, তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন এই রাস্তাটি অচিরেই করে দিবেন।

বিসিপিসিএল এর কর্মকর্তা জারগিস তালুকদার জর্জ জানান স্থানীয় লোকদের জায়গা জমি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা আছে । এই বৃষ্টিকাল শেষ হওয়ার পরই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান করে স্বপ্নের ঠিকানার এই রাস্তাটি পাকাকরন করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন স্বপ্নের ঠিকানা আবাসনটি দিনে দিনে যেন দুঃস্বপ্নের ঠিকানায় পরিনত না হয় সেজন্য সরকার জোরালো পদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ন এই সরকটি নির্মান সহ এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আরো নতুন নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা  উচিত।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*