শুটার মানিক ক্রসফায়ারে নিহত

বড়াইগ্রামের কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যার মূল হোতা
অমর ডি কস্তা, নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রামের খলিসাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আল-আমিনকে গুলি করে হত্যা করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মূল হোতা শুটার মানিক ওরফে সুমন (৪৮) পুলিশের সাথে ক্রস ফায়ারে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত (ক্যালেন্ডারের তারিখ ১৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে লালপুরের গোপালপুর কুপাকাটা নামক স্থানে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়। নিহত মানিক পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পূর্বটেংরী শেরপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, শুটার মানিক বড়াইগ্রামের কলেজ ছাত্র আল-আমিন ও লালপুরের ব্যবসায়ী অলোক বাগচিকে গুলি করে হত্যা করে মোটর সাইকেল ছিনতাইয়ের মূল হোতা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নাটোর ও আশেপাশের জেলার বিভিন্ন স্থানে হত্যা করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, সিএনজি অটোর্ক্সিা ও প্রাইভেট কার ছিনতাই, ডাকাতি, দস্যুতাসহ ১৫টির অধিক মামলা রয়েছে।নিহত মানিক পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পূর্বটেংরী শেরপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।
বড়াইগ্রাম ও লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার দাস ও নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান, গত ৫ জুলাই বড়াইগ্রামে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মামলায় শুটার মানিককে পাবনা থেকে আটক করে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে সম্প্রতি সংঘটিত লালপুরে ব্যবসায়ী অলোক বাগচিকে হত্যা করে মোটরসাইকেল ছিনতাই ও বড়াইগ্রামে রামু চন্দ্র দাস নামে এক চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। শুক্রবার দিবাগত মধ্য রাতে এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের ধরতে শুটার মানিককে নিয়ে লালপুর থানা পুলিশ বড়াইগ্রাম থেকে লালপুরে নিয়ে আসার সময় গোপালপুরের কুপাকাটা নামক স্থানে পৌঁছালে তার সহযোগীরা শুটার মানিককে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সাথে গোলাগুলির এক পর্যায়ে মানিক গুলিবিদ্ধ হয় এবং সহযোগীরা পিছু হটে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আহত মানিককে পুলিশ লালপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। থানা পুলিশের ওই কর্মকর্তাগণ আরও জানান, সহযোগীদের ধরতে দিনভর বিভিন্নস্থানে চিরুণী অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের ৪টি টীম। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্যান্যদের আটক করা সম্ভব হবে।