Sunday , 25 October 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » জেলার-খবর » কমলনগরে এরশাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কমলনগরে এরশাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 
মোঃ ফয়েজ কমলনগর প্রতিনিধি(লক্ষ্মীপুর)॥
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে দোয়া মাহফিল ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমলনগর উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে শুত্রুবার বিকাল ৪ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ সদর হাজির হাটে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জাতীয় পার্টীর সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন। সাবেক রাষ্ট্রপতির স্মৃতিচারণ করে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয় পার্টির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
কমলনগর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক ইমানুজ্জামান বাশারের পরিচালনায়। বিশেষ আলোচক ছিলেন জেলা যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীরর আমল,পৌর আহবায়ক আলমগীর হোসেন, আরিফুর রহমান,এবং কমলনগর উপজেলার সকল ইউনিয়ন নেত্রীবৃন্দ।
উপস্থিত মেহমানগন বলেন।
ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই রাষ্ট্রনায়ক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দুই দফায় সাড়ে ছয় বছর কারাগারে আটক ছিলেন। কিন্তু তাঁর স্বপ্নে ছিলে দেশ ও জনগণের কল্যান সাধন। জেলখানার অন্ধ প্রকোষ্ঠে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেন- তবুও ভাবতেন দেশের কথা। দেশ যখন বিপন্ন, মানুষ যখন মানবেতরের চরম সীমায় পল্লীবন্ধু এরশাদ তখন জেলের জিঞ্জির ছিন্ন করে বেড়িয়ে এলেন। তিনি দেখলেন যে দেশকে তিনি সযত্নে সাজিয়েছিলেন সে দেশ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেছে। মানুষের সুখ-শান্তি সমৃদ্ধি ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সাচ্ছন্দ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বলতে কিছুই থাকছেনা। কারামুক্ত পল্লীবন্ধু এরশাদ আর স্থির থাকতে পারলেন না। শুরু হলো আবার তাঁর যাত্রা। এ যাত্রা ভিন্ন আঙ্গিকে। হিংসা-হানাহানির রাজনীতির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করলেন পল্লীবন্ধু। আবার এদেশে উন্নয়ন সমৃদ্ধির ধারা ফিরিয়ে আনা এবং জনগণের নিরাপত্তা-সুখ-শান্তি নিশ্চিত করার সংগ্রামে ব্রতি হলেন এদেশের ইতিহাসের সফল রাষ্ট্রনায়ক পল্লীবন্ধু এরশাদ। তিনি নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোঁটানোর লক্ষ্যে। পল্লীবন্ধু এরশাদ কথার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন-তিনি কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। তাঁর অতীতের কর্মকাণ্ডের দিকে তাকালেই এ কথার প্রমাণ পাওয়া যাবে। এদেশের এমন কোন গ্রাম নেই -এমন কোন শহর নেই-যেখানে পল্লীবন্ধু এরশাদের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এখনো এই বাংলাদেশের যেদিকেই দৃষ্টি যাবে সেদিকেই দেখতে পাওয়া যাবে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়নের কর্মসূচী। এই মহানায়কের উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি এখানে তুলে ধরা হলো।
৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ প্রবর্তিত ৪৬০টি উপজেলার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনই শুধু গ্রামের মানুষের কাছে যায়নি- উন্নয়নের জিয়নকাঠি চলে গিয়েছিলো গ্রামে। জনগণের দোড় গোড়ায় বিচার ব্যবস্থা পৌঁছে গেছে।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ গ্রামে গ্রামে রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, দালান-কোঠা নির্মানের ফলে ৬৮ হাজার গ্রাম লাভ করেছে শহরের আমেজ।
* পল্লীবন্ধু এরশাদের পল্লী বিদ্যুতায়ন কর্মসূচী গ্রামকে করেছে বিদ্যুতায়িত।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ ২১টি জেলা ভেঙ্গে ৬৪টি জেলা করেছেন। বৃটিশ আমলের সেই মহকুমাগুলো এখন পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত হয়েছে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি করে প্রশাসনে গণপ্রতিনিধিদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করেছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল ৩ বছর থেকে ৫ বছরে উন্নিত করেছেন।
শিক্ষা ব্যবস্থায় এরশাদ
* পল্লীবন্ধু এরশাদ বাধ্যতামুলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করেছেন।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ গ্রামের মেয়েদের জন্য অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ সারা দেশে শতাধিক কলেজ এবং দেড় শতাধিক স্কুল সরকারিকরণ করেছেন।
* পল্লীবন্ধু এরশাদ খুলনা, সিলেট এবং কৃষ্টিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*