কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর একমাত্র খেলার মাঠ এখন পরিত্যাক্ত

কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের প্রায় ২৫হাজার শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার মাঠ আজ পরিত্যক্ত। এটি খেলার মাঠ হলেও মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখে যে কারো মনে হবে এটি কোন খাল বা বিলের দৃশ্য। কচুরী পানা আর নানা রকম আগাছা জন্মে খেলার মাঠটি আজ একেবারের খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অথচ এই মাঠই কিনা এক সময়ে খেলোয়াড় তৈরীর ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার হতো। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, জাতীয় দলের অন্যতম খেলোয়াড় মো: মিথুন, এনামুল বিজয়দেরও তারকা হয়ে ওঠার গল্পের শুরুটা এই মাঠ থেকেই। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা মনে করেন তাদের একমাত্র খেলার মাঠটির সমস্যা যেন দ্রুত সমাধান করেন কতৃপক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় দিনকে দিন মাঠটির যৌলুসতা হারাতে বসেছে। পয়নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বছরে অন্তত ৯ মাস জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। অভিভাবকদের শঙ্কা মাঠের এমন করুন পরিনতিতে যুব সমাজের যেখানে মাঠে সময় কাটানোর কথা সেখানে তারা আজ বিপথগামী হচ্ছে। সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়দের দাবী বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য মো: মিথুন, এনামুল হক বিজয়ের মত তারকা ক্রিকেটাররাও এই মাঠে খেলেছেন। অবশ্য কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবী মাঠ সংস্কারে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এই একমাত্র খেলার মাঠটি যদি সংস্করন করা হয় তবে অতিতে অনেক খেলোয়ার এই মাঠে খেলে বড় খেলোয়ার হয়েছে এবং তা এখনো সম্ভব যদি সংস্কার করা হয়। সাবেক খেলোয়ারদের মতে এই মাঠটি সংস্কার যদি না করা হয় তবে কুষ্টিয়া থেকে বড় খেলোয়ার হওয়ার সুযোগ হারাবে অনেক কিশোর খেলোয়ার। তাদের দাবী মাঠটি যেন হয়ে ওঠে আবার আগের মত।সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা মনে করেন এই মাঠের জন্যে তারা ভালভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না এবং খেলা না করতে পারায় তারা বড় খোলায়ার হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন। তাই যতদ্রুত সম্ভব এই একমাত্র খেলার মাঠটি সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন তারা।এদিকে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবী মাঠ সংস্কারে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব এই মাঠটি সংস্কার করা হবে।