পত্রিকার কথা

পত্রিকার কথা
দৈনিক সকালবেলা বাংলাদেশের একটি জাতীয় সংবাদপত্র। ১৯৯৭ সালের ৩০ এপ্রিল সকালবেলা পত্রিকাটি স্বাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০০১ সালে দৈনিক হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে। সকালবেলা সংবাদ এবং এর সম্পাদকীয় মন্তব্যটি যত্নসহকারে সমন্বয় করা হয়েছে। বেশিরভাগ সময়ে দায়িত্বের গভীরতম অর্থে এটি পরিচালনা করা হয়েছে।
সকালবেলা নামটি বহনকারী এটি বিশ্বের প্রথম পত্রিকা।
বাংলাদেশে সকালবেলা প্রকাশিত হওয়ার ১ যুগ পরে ভারতের কোলকাতা হতে ২৯ জুন ২০১০ সালে বিখ্যাত দূর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠান সারদা গ্রুপের পৃষ্ঠপোশকতায় চিট ফান্ড স্ক্যমের হোতা সুদিপ্ত সেনের সম্পাদিকতায় প্রকাশিত হয়। চিট ফান্ড স্ক্যামের জন্য শ্রীযুক্ত সুদীপ্ত সেনের গ্রেফতারের পর ২০১৩  সালের এপ্রিল মাসে সকালবেলাসহ সারদা গ্রুপের সকল সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যায়।

দৈনিক সকালবেলা পত্রিকাটি বর্তমানে ৮ম ওয়েজবোর্ডভুক্ত, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশনা।

ইতিহাসঃ
সৈয়দ এনামুল হকের সম্পাদনায় ১৯৯৭ সালের ৩০ এপ্রিল দৈনিক সকালবেলা পত্রিকাটি স্বাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

মাত্র ৪ বছরে পত্রিকাটি পাঠকের মন জয় করে ফেলে। যার ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালে পত্রিকাটি একটি জাতীয় দৈনিক হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে। হাটি হাটি পা পা করে পত্রিকাটি মানুষের মন জয় করে এগিয়ে যেতে থাকে এবং অর্জন করতে থাকে ওয়েজবোর্ডসমূহ। ২০১৬ সালে পত্রিকাটি ৮ম ওযেজবোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে পত্রিকাটির সার্কুলেশন সংখ্যা ৫৫ হাজার ৫শত কপি।

বিভাগসমূহ:
সকালবেলা পত্রিকাটি তার নামের গুরুত্ব বহন করে দিনের প্রথামের্ধেই সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। প্রথম পাতায় বিভিন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় পাতায় উপ-সম্পাদকীয় ও নিয়মিত লেখা এবং পাঠকদের মন্তব্য ছাপা হয়। তৃতীয় পাতায় দেশের খবর, চতুর্থ ও ৫ম পাতায় বিভিন্ন খবরের বাকী অংশ, ৬ষ্ঠ পাতায় খেলাধুলা ও বিনোদন, ৭ম পাতায় ব্যবসায় বানিজ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং শেষের পাতায় অঞ্চলভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও আন্তর্জাতিক খবরের বিশেষ অংশ ছাপা হয়।

আধুনিক প্রকাশনা:
২০১৫ সালের  নভেম্বর মাস থেকে আধুনিক (অনলাইন) সকালবেলার যাত্রা শুরু। এখন দুইটি ওয়েবসাইট: www.dainiksakalbela.com  দৈনিক পাঠকদের লক্ষ্য উভয় সংবাদপত্রের আইপ্যাড এবং অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ আছে। ডিজিটাল আর্কাইভ (২০১৬-২০১৯) জনসাধারণ পাঠকদের ডাটাবেসের মাধ্যমে অবাধে অ্যাক্সেসযোগ্য। দৈনিক পাঠক সংখ্যা গড়ে ৩৫ হাজার মাত্র। যা ২০১৯ সালের শেষের দিকে ১ লাখ পাঠকের লক্ষ্যমাত্র নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রকাশকের কথা:
জনাব সৈয়দ এনামুল হকের  জন্ম ১৬ এপ্রিল ১৯৫৬ সালে মাদরীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর গ্রামে। বাবা মরহুম ডা: সৈয়দ আবদুল মজিদ। জনাব হক বহুমূখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি বাংলাদেশ বেতারের একজন ইংরেজী সংবাদ পাঠক। অত্যন্ত সদালাপী ও মিষ্টভাষী জনাব হক সকলের কাছেই প্রিয় একজন মানুষ ।

প্রেস ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়া দু’জায়গায়ই জনাব এনামুল হকের সমান পদচারনা। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ পাঠক সমিতির একাধিকবার সহ-সভাপতি ছিলেন।

১৯৭৯ সালে বেতারে বাংলা সংবাদ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু করলেও বেতার ক্রতিপক্ষের ইচ্ছায় ইংরেজি সংবাদ পাঠ শুরু করেন।

৯০’ এর দশকের গোড়ার দিকে লন্ডনে থাকাকালনি সময় তিনি বি বি সি বাংলা বিভাগের সাথে কিছুদিন কাজ করার সুযোগ পান। সে সময় ফারাক্কা বাধের উপর তথ্য ও উপাত্ত সমৃদ্ধ তার একটি প্রতিবেদন শ্রোতা নন্দিত হয়েছিল।

বর্তমানে জনাব এনামুল হক বাংলাদেশ সংবাদপত্র মালিক সমিতিবাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ” (BSP)এর মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন

৮০’ এর দশকে তিনি  দু’টি জাতীয় দৈনিকের খুলনা সাংবাদিক ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

তিনি দু দু’বার করে খুলনা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সাংবাদিক সমাজকে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে উজ্জীবিত করেন পেশাগত মান  উন্নয়নে।

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন সংগঠন তাঁকে স্বর্ণপদক ক্রেষ্ট ও সম্মাননা প্রদান করে।

তিনি ঢাকা আইনজীবি সমিতির একজন সক্রিয় সদস্য এবং দুটি আইন গ্রন্থের প্রণেতা

এছাড়াও তিনি দেশ ও আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সর্বোপরি তিনি Lions club international এর  একজন  সক্রিয় সদস্য। Lions Club of Dhaka Mirpur City’র সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হন কয়েকবার। দুবার তিনি (Lions Club International District 315 B1 এর ZONE Chairman হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি Lions Club International এর সাউথ আফ্রিকা ও ইষ্ট এশিয়া ফোরামের কোলকাতা সম্মলনে অংশগ্রহন করেন।

তিনি যুক্তরাজ্য ,রাশিয়া, শ্রীলংকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ সফর করেন। জনাব হক সাংবাদিক হিসেবে লন্ডনে House of commons এর গুরুত্বপূর্ণ Debate প্রত্যেক্ষ করার সুযোগ পান।

এক সময় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে (London Times) তাঁর ছবিও ছাপা হয়

জনাব  এনামুল হক মিরপুর শহীদ স্মৃতি ব্যবসায়ী  বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ- এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ছিলেন।পল্লবী  প্লাজার আজকের এই সৃদৃশ্য ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে  জনাব এনামুল হক- এর  রয়েছে বিশেষ অবদান। তিনি যখন সমিতির সদস্য পদ লাভ করেন তখন সমিতির ছিল দৈন্যদশা।  কিছু ভাঙা- চোড়া  টিন দোকান কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়েছিল। এরপর মার্কেট বহতল বিশিষ্ট মার্কেট ভবন নির্মাণের  পরিকল্পনা থেকে শুরু করে  মার্কেট ভবন নির্মাণের বর্তমান অবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে জনাব এনামুল হক অগ্রণী এবং কার্যকরী ভূমিকা রেখেছেন।

পাঠক সংখ্যা:

ছাপার ধরণ: বাংলা

রাজনৈতিক প্রতিকূলতা:
দৈনিক সকালবেলা একটি বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে  যাত্রা শুরু করে। পত্রিকাটি সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি প্রগতিশীল সংবাদ প্রকাশনা। এর সাথে কোন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, নেটওয়ার্ক কিংবা গোষ্ঠীর কোন সম্পর্ক নেই।বাংলাদেশের এবং  বিশ্বের সকল শোষিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত গণমানুষের সংগ্রামের প্রতি আমাদের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে।

আমরা কোন ভাবেই কোন দল বা সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিনা।আমরা পরিস্কারভাবে জানাচ্ছি যে, আমরা কোন বিদেশী কিংবা দেশী সংগঠনের অধীনস্থ নই এবং কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের সাথে সংঘবদ্ধভাবে আমরা আমাদের কোন কাজ ও সংবাদ প্রকাশ করি না।

পৃষ্ঠপোষকতা:
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দ্বারা  প্রষ্ঠপোষকতা প্রদানের আশ্বাস ও ইচ্ছা প্রকাশ করা সত্বেও প্রকাশক সৈয়দ এনামুল হক অর্থনৈতিক দৈন্যর মধ্যে থেকেও নিরপেক্ষ প্রকাশনার অদম্য ইচ্ছা থেকেই কোনরকম প্রষ্ঠপোষকতা গ্রহন করেন নাই।