Saturday , 24 October 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » পাচঁফোড়ন » মাদ্রাসার মধ্যে চার ছাত্রীকে ধর্ষণ-যৌন হেনস্তা, উত্তাল বাংলাদেশ

মাদ্রাসার মধ্যে চার ছাত্রীকে ধর্ষণ-যৌন হেনস্তা, উত্তাল বাংলাদেশ

ঢাকা:  ফের বাংলাদেশের মাটিতে প্রশ্নের মুখে মহিলা নিরাপত্তা। মাদ্রাসার মধ্যে চার ছাত্রীকে ধর্ষন এবং যৌন হয়রানির অভিযোগ। অভিযুক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র‍্যাব। জানা গিয়েছে, ধৃত প্রধান শিক্ষক মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতাও। স্থানীয় মানুষজনের অভিযোগ, মাদ্রাসা খুলে ছাত্রীদের জোর করে যৌন হেনস্তার মতো মারাত্মক এই কাজ করত অভিযুক্ত রহমান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের মাদ্রাসায় হানা দেয় র‍্যাব। মাদ্রাসার মধ্যে বেশ কিছু অবৈধ বেশ কিছু জিনিস র‍্যাব বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকটী ল্যাপটপও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ধৃত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়। গত ছয় বছর যাবত তিনি মাদ্রাসাটি চালাচ্ছেন। পরিবার নিয়ে সেখানেই বসবাস করেন। পরিবার থাকা সত্যেও কীভাবে এই ঘটনা তিনি ঘটালেন তাও আবার দিনের পর দিন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও সেই ধোঁয়াশা কাটাতে ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে জেরা শুরু করেছে পুলিশ। প্রয়োজনে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

র‌্যাব জানায়, ওই মাদ্রাসায় ৯৫ জন ছাত্রী লেখাপড়া করছে। তাদের মধ্যে ওখানে থেকে লেখাপড়া করছে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রী। সম্প্রতি মাদ্রাসাটির বেশ কয়েকজন ছাত্রীর পরিবারের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি করে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পায়। এরপরেই শনিবার মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে। শিক্ষকের ফোন থেকে বেশ কিছু অশ্লীল ভিডিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের আরও একটি মাদ্রাসায় ছাত্রীদের ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। বারবার মাদ্রসাগুলিতে একই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে সে দেশের নিরাপত্তা। শুধু তাই নয়, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। যদিও সে দেশের সমাজকর্মীদের একাংশের মতে, মাদ্রাসাগুলির উপর নজরদারির কোনও নিয়ম নেই। আইনও তেমন কড়া নয়। ফলে সেই সুযোগে দিনের পর দিন মাদ্রাসাগুলিতে মহিলা নির্জাতনের মতো ঘটনা ঘটছে বলেই মনে করছেন সমাজকর্মীরা।

About Sakal Bela