সাধারণ ক্ষমার পর,সাবেক কমিটি বহাল রাখার দাবিতে সভা করেন সাবেক নেতারা

আখতার হোসাইন খান
নিজস্ব প্রতিবেদক 
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ বিভিন্ন জায়গায় আনন্দ মিছিল।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকাবিরোধী ১৯২ নেতাকে ক্ষমা করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার পরও এই নেতারা সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। অবশ্য শর্ত সাপেক্ষে তাদের শেষবারের মতো ক্ষমা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সংগঠনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে গণ্য করার কথাও তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা পাওয়ার পর থেকে ওই নেতারা জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন।প্রধান দুই সাংগঠনিক পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদ-পদবিতে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন।
এসুবাদে রায়পুর উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্মেলনের মাধ্যমে যে কমিটি দেওয়া হয়েছে, তা বাতিল করে সাবেক পদ-পদবী ফিরিয়ে পেতে চান নবকমিটিতে পদ হারানো নেতারা।
দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২১ অক্টোবর বিদ্রোহী নেতাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি কার্যক্রম ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। এর পর থেকেই তারা সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহীদের মধ্যে ১২৬ জন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই চেয়ারম্যানরাসহ ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভিযোগে দলীয় গঠনতন্ত্রের ৪৭(ক) ধারা অনুযায়ী বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ১৯২ জন সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতে সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কোনো কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু,রায়পুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার আলতাফ হোসেন হাওলাদার।
৮ই নভেম্বর সকালে ১২সময় নতুন কমিটি বাতিল করে পুনরায় আলতাফ মাষ্টারসহ পদ হারানো সকল নেতা-কর্মীদের পদ ফিরিয়ে দিতে  আহব্বান জানান নেতারা,এসময় আলোচনা রাখেন…৮নংদঃচরবংশী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সালেহ মোঃমিন্টু ফরায়জী,সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা,  বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃলিটন গাই,নজরুল বেপারী,সুমন মিঝি,ফোকরন নেচা,
শাজাহান মোল্লা, সহ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, সম্পাদক এবং নেতা কর্মীরা।