সবসময় দেশ ও জাতির স্বার্থকে মাথায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করতে হবেঃ মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন

দৈনিক সকালবেলার প্রতিনিধি সম্মেলন’১৯ এ প্রধান অতিথি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন দৈনিক সকালবেলা’র সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হক ছবি- সকালবেলা
দৈনিক সকালবেলার প্রতিনিধি সম্মেলন’১৯ এ প্রধান অতিথি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন দৈনিক সকালবেলা’র সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হক ছবি- সকালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন বলেছেন, সবসময় দেশ ও জাতির স্বার্থকে মাথায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। কেননা সত্যি ঘটনাও অনেক ক্ষেত্রে দেশের জন্য বড় কোন অমঙ্গল বয়ে আনতে পারে যা কারো কাম্য নয়।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত দৈনিক সকালবেলার প্রতিনিধি সম্মেলন’১৯ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। দৈনিক সকালবেলা’র সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোম্বে সুইট্স এন্ড কোং লিমিটেডের উপদেষ্টা ডি ডি ঘোষাল এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মতিয়ুর রহমান তালুকদার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন দৈনিক সকালবেলা’র নির্বাহী সম্পাদক অধ্যক্ষ নিলুফার আক্তার। বিশিষ্ট সংবাদ উপস্থাপক রেহানা পারভীনের সঞ্চালনায় প্রতিনিধিদের মধ্যে আখতার হোসাইন, সাইফুল ইসলাম, তানজিম হোসেন, ও কামরুজ্জামান রতন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেন, সংবাদের পিছনের সংবাদ খুঁজে আনাটা জরুরি। যদিও এই কাজে ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ দুটিই রয়েছে। তবুও পাঠকের চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে এই ঝুঁকিপ‚র্ণ কাজটি সাংবাদিকদের করতে হয়। এসময় তিনি পত্রিকার সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী আপনার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। আপনি ইচ্ছে করলে এ প্রতিনিধিদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত সময় নয়, দিনব্যাপী এ ধরণের সম্মেলনের আয়োজন করতে পারেন। যাতে তারা তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা তুলে ধরতে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে পিআইবিতে এই সাংবাদিকদের নিয়ে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিডি ঘোষাল দৈনিক সকালবেলা’র সম্পাদকের ভূয়সী প্রসংশা করে বলেন, এ পত্রিকার সম্পাদক আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন। উনি অত্যন্ত সৎ মানুষ। সুদীর্ঘ ২৩ বছর তার নিরলস প্রচেষ্টায় এই পত্রিকাটি ধরে রেখেছেন যা আসলেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত । আমি হয়তো কিছুই করতে পারিনি তবুও সম্পাদকের আমন্ত্রণে বারবার আসি।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের সাথে আমার যোগাযোগ ১৯৭২ সাল থেকে। এই খাতে আমার অল্পবিস্তর গবেষণা আছে। দৈনিক সকালবেলাতো বটেই এই ধরণের পত্রিকা যে কত অর্থনৈতিক দৈন্যদশায় ভুগতেছে তা আমি জানি। কিন্তু পদ্ধতিগত কারণে হয়তো আমরা কিছইু করতে পারিনা। তাই আগামীতে এই পত্রিকার পাশে থাকবো এই আশাবাদ আমার থাকল।

সম্মনিত অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে অচিরেই নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন হবে। এ ব্যাপারে সংস্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করি।

তিনি প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিজ্ঞাপন হলো সংবাদপত্রের প্রাণ। আপনারা বেশি বেশি বিজ্ঞাপন দিবেন এতে পত্রিকার পাশাপাশি আপনারাও উপকৃত হবেন।

দৈনিক সকালবেলার সম্পাদক তার সভাপতির বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী কলম সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পরিবেশন করলে সমাজ ও জাতি উপকৃত হবে। একজন ভালো সাংবাদিকের সংবাদ পত্রিকার সার্কুলেশন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং সম্মানিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অংশগ্রহণকারী সকল সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।