রাজবাড়ীতে ফসল ফলাতে কৃষকের হাতেই ফসলে বিষ

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধিঃ

কৃষকের হাতে উৎপাদিত ফসলের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয়। অথচ সেই কৃষক যখন ফসল ফলাতে গিয়ে বেশি ফলনের আশায় কিংবা উৎপাদিত ফসলের রোগ বালাই থেকে রক্ষা করতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে। তখনি তা হয়ে ওঠে মানবহেদের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।

রাজবাড়ী জেলার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বেশি ফলনের আশায় এবং উৎপাদিত ফসলের রোগ বালাই থেকে রক্ষা করতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করছে প্রান্ততিক কৃষক। কৃষি কাজে ফলন উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রি করা পর্যন্ত বিষ, কীটনাশক ও বিভিন্ন প্রকার ঔষুধ ব্যবহার করছে কৃষক। এই বিষ, কীটনাশক ও বিভিন্ন প্রকার ঔষুধ মিশানো কৃষি পণ্য জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী সহ বিভিন্ন জেলায় আমদানি হচ্ছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার নয়নশুক এলাকার কৃষক মোঃ সিদ্দিক শেখ বলেন, আমি সাড়ে তিন বিঘা জমিতে ফুল কফি, ৩বিঘা টমেটো, ২বিঘা কালো বেগুন চাষ করেছি। বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পেতে এবং বেশি ফলনের আশায় কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, জমিতে বেশি ফলন না হলে উৎপাদন ব্যয় উঠাবো কিভাবে। সুতরাং বেশি ফলনের আশায় আমাদের বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়।

ডাঃ আসিফ মাহমুদ বলেন, কীটনাশক দিয়ে ফসল উৎপাদন। আর সেই কৃষি পণ্য মানবদেহে গেলে বিভিন্ন প্রকার রোগ হতে পারে। সুতরাং বিষ, কীটনাশক দিয়ে উৎপাদিত ফলন বর্জন করা প্রয়োজন।

রাজবাড়ী উপ-পরিচালক কৃষি সম্পাসারণ মোঃ ফজলুর রহমান বলেন, কৃষক বেশি ফলনের আশায় ফসলে কীটনাশক ব্যবহার করে। তবে কীটনাশক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এমন অভিযোগ পেলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় নেওয়া হবে।