Wednesday , 2 December 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » দেশগ্রাম » গোয়ালন্দে শুকনো মৌসুমেও পদ্মা নদীতে ভাঙ্গন

গোয়ালন্দে শুকনো মৌসুমেও পদ্মা নদীতে ভাঙ্গন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ
রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শুকনো মৌসুমেও হঠাৎ পদ্মা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙনের কারণে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। ছোট হয়ে আসছে জেলার আয়তন।
জানা যায়, রাজবাড়ী জেলার মধ্যে সদর, কালুখালী, পাংশা ও গোয়ালন্দ উপজেলা পদ্মানদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। প্রতি বছর পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন কবলে পরে শতশত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ছে। নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে শতশত একর ফসলি জমি।
এদিকে হঠাৎ গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কাওয়াজানি, হোসেন মোল্লার পাড়া, আজাহার মাতব্বার পাড়া, আজিজ সরদার পাড়া, নতুন পাড়া, ব্যাপারী পাড়া ও ঢল্লাপাড়ার এলাকায় ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদী গর্ভে চলে গেছে টমেটো, বেগুন, পেয়াজ-রসুন, শরিষা, মরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি।
ভাঙন কবলিত এলাকার ছিদ্দিক কাজী জানান, ভাঙন মৌসুমে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা নদী শাসনের আশ্বাস দিলেও তার কোন বাস্তবায়ন নেই। যে কারণে প্রতি বছর পদ্মা নদীর ভাঙনে বসতি ও আবাদি জমি নদী গর্ভে চলে যায়। আর নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে গৃহহীন হয়ে রাস্তার পাশে বসবাস করছি আমরা অনেকে। এখন শুকনো মৌসুম। নদী শাসন করার উপযুক্ত সময়। কিন্ত নদী শাসনের কোন উদ্দ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, জেলার পাংশার উপজেলার হাবাসপুর থেকে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পর্যন্ত বিভিন্নস্থানে পদ্মার ভাঙ্গন রয়েছে। এর মধ্যে পাংশার হাবাসপুর, কালুখালীর রতনদিয়া, শাহ মীরপুর, সদরের মিজানপুর ও গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ও দেবগ্রামের বিভিন্নস্থান ভাঙ্গন কবলিত। এই ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী প্রতিরোধের জন্য রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ৭০০ কোটি টাকার ডিপিপি প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। যা অনুমোদন হলে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করতে পারবেন।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*