মনের নেত্রী, সরকার ফারহানা আক্তার সুমি

নীলফামারী প্রতিনিধি:

একজন মানুষের বিষয় কিছু না জেনে আলোচনা সমালোচনা করা যায় না। এটা সবাইরে জানা দরকার। পৃথিবীর ইতিহাস, আসলে নেতৃত্বের ইতিহাস। সঠিক নেতৃত্বের প্রভাবে একটি পরিবার, প্রতিষ্ঠান, দেশ ও জাতি এমনকি বিশ্বকে বদলে দিতে পারে। একজন যোগ্য নেত্রী ও তার নেতৃত্বদানের হাত ধরে একটি নতুন সভ্যতার জন্ম হতে পারে, শুরু হতে পারে নতুন একটি যুগ। এই নেতৃত্বকে নিয়ে উক্তি দিয়েছিলেন স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, একজন মানুষের মাঝে যদি সঠিক নেতৃত্বের গুণাবলী থাকে, তাহলে একদল অযোগ্য মানুষদের, অনেক বড় অর্জনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। একজন মানুষের স্বপ্ন যত বড়, তার দলও তত বড় হতে পারে, যদি তার সঠিক নেতৃত্ব থাকে। একজন সত্যিকারের নেত্রী তাঁর নিজের স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পারেন অনেক মানুষের মাঝে। নেত্রীকে অনুসরণ করে তাদের শ্রম ও ঘাম এমনকি তারা নিজের রক্ত দিতেও দ্বিধাবোধ করেনা। এই সব গুণাগুণ নিয়েই সত্যিকারের একজন নেত্রী যাঁর সামনে গেলেই মানুষ মুগ্ধ হয়। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ায় প্রত্যয়ে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে, দিনরাত ঐক্লান্তিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, আসলেই তিনি একজন ভালো মনের মানুষ, জনগনের খুব কাছের মানুষ, যাকে সবসময় কাছে পায়, তিনি হলেন নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটির কৃতিসন্তান সরকার ফারহানা আক্তার সুমি। মানুষ হিসেবে অনেক ভালো, কাছে গেলেই বুঝা যায় তিনি একজন সাদা মনের মানুষ। আমার মতে সাদা মনের মানুষ বলতে আমি বুঝি তাকে, যাঁর মনটা খুব সুন্দর। মুখে এক কথা মনে আর এক কথা, এরকম না। ইচ্ছাপূর্বক কারো ক্ষতি করবে না, হিংসা নেই, অত্যন্ত সহজ সরল একজন মানুষ। যাই করুক অন্য কাউকে ঠকাতে পারেনা। আমার মনে হয় সৎ চিন্তাভাবনা এবং সৎ কর্ম এই দুইটা গুন একজন মানুষের মধ্যে থাকলে তাকেই ভালো মনের মানুষ হিসেবে ধরা যায়। তিনি শৈশব থেকেই সৎ ও সাহসী। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন সঠিক সময়ে। ফজরের নামাজ আদায় করেন এবং বাড়ির গেটের সাথে রাজনৈতিক অফিস কার্যালয়ে সাদামাঠা পোশাকে বসেন। জনগণের কল্যাণে তিনি দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছেন। সাধারণ পোশাক পরে যখন অফিসে বসেন, তখন মনে হয় একজন সাধারণ মানুষ, দলীয় নেত্রী-কর্মীদের সাক্ষাৎ ছাড়াও সাধারণ মানুষদের সাথে অমায়িক আচার আচরণে মুগ্ধ নীলফামারী জেলার ডোমার-ডিমলা চিলাহাটিবাসি । বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সরকার ফারহানা আক্তার সুমি । বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মোঃ লিখন ইসলাম জানান, তিনি শৈশব থেকেই সৎ চিন্তাভাবনা নিয়ে পথ চলেন। তার সম্পর্কের অনেক গল্প শুনেছি বাবার মুখে শুনে এসেছি তিনি ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজনীতি করে আসছেন। তার চিন্তাচেতনা জনগনের কল্যাণে কাজ করা। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন নেত্রী। তাঁর কোনো প্রলোভন বা প্রাপ্তির মোহ কখনো তাকে আছন্ন করেননি বলে আমি মনে করি। হুমকি ও নির্যাতন তার আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত করতে পারেনি। তার মত উদার ও সৎ দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেত্রী

তা ডোমার-ডিমলার রাজনীতিতে কখনো দেখা যায়নি যাবেও না । চিলাহাটি মাষ্টার পাড়ার মোচ্ছা: মোর্শেদা বেগম

বলেন, একজন রাজনৈতিক নেত্রী মধ্যে সরকার ফারহানা আক্তার সুমি মতো এতসব দুর্লভ গুণাবলী আমাদের এলাকায় সত্যিসত্যিই বিরল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, সততা, মানুষের প্রতি গভীর অনুরাগ, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, মেধা, শ্রম, অনুশীলন, ধী-শক্তির সকল গুনের সমাহার তিনি। মোঃ জনি ইসলাম বলেন, কি বলবো উনি যে একজন ভালো মানুষ, সাদা মনের মানুষ তার কাছে না গেলে আমি বুঝাতে পারতাম না । তিনি শুধু ডোমার-ডিমলায় নয়, আমি মনে করবো তার মতো অমায়িক মানুষ নীলফামারীতে পাওয়া যাবে কিনা তা বলতে পারবো না। সরকার ফারহানা আক্তার সুমি বলে, জনগণের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। আমাকে জনগণ এত ভালোবাসে, তাঁর প্রতিদান আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দিয়ে যাবো। ক্ষমতা নয়, সাধারণ মানুষ হয়ে। আমি সারাজীবন জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবা করতে চাই। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। তাদের হাসি টাই আমার সুখ। গরীব দুঃখী অসহায় মানুষদের মুখে  হাসি দেখে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে চাই। রাজনীতিতে আসার আমার একমাত্র লক্ষ্য অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং পাশে থেকে সহযোগিতা করা। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ,জয় হোক মেহনতী মানুষের।