Tuesday , 2 March 2021
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » মৌলভীবাজারে চা বাগানে এক ঘণ্টায় চার খুন করে আত্মহত্যা করলো চা শ্রমিক

মৌলভীবাজারে চা বাগানে এক ঘণ্টায় চার খুন করে আত্মহত্যা করলো চা শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক: মৌলভীবাজারে চা বাগানে এক ঘন্টায় ৪ জনকে খুন করে আত্বহত্যা করলো এক চা শ্রমিক। বড়লেখা থানার পুলিশ বলছে, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাল্লাতল চা বাগানের এক শ্রমিক অন্তত চার জনকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।তারপর হত্যাকারী নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহতরা হত্যাকারীর স্ত্রী, শ্বাশুড়ি এবং বাকি দুজন প্রতিবেশী। নিহত প্রতিবেশী এক ব্যক্তি ও তার মেয়ে হত্যাকারীকে ঠেকানোর জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। নিহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসা একজন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও বাগান কর্তৃপক্ষ বলছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্ভবত এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সব মিলে পুরো ঘটনা ঘটতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছে। তবে ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম ও দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় নির্ভরযোগ্য বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। রবিবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটলেও এই প্রতিবেদন লেখার সময়েও পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলের পথে ছিল বলে উল্লেখ করেন বড়লেখা থানার ওসি ইয়াসিনুল হক। বাগানটি জেলা সদর থেকেও ৯০ কিলোমিটার দূরে। জায়গাটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত। কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক সেখানে নেই। ফলে সেখানে যারা পৌঁছেছেন তাদের সাথে যোগাযোগই করা যাচ্ছে না।

কী ঘটেছিল?

পুলিশ বলছে, বাগান কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক নির্মল কর্মকার রোববার ভোররাতে বাড়ি পৌঁছানোর পর স্ত্রীর সঙ্গে তর্কের এক পর্যায়ে তাকে দা নিয়ে ধাওয়া করে। সে সময় তার স্ত্রী দৌড়ে তার মায়ের ঘরে যান। এক পর্যায়ে স্ত্রী এবং শাশুড়ি দুজনকেই কুপিয়ে আহত করে ঐ ব্যক্তি। এ সময় প্রতিবেশী বসন্ত ও তার কন্যা শিউলি ঠেকানোর জন্য এগিয়ে এসে হামলার শিকার হন। পুরো ঘটনা ঘটানোর পরই সম্ভবত নিজের ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন নির্মল কর্মকার।

About Sakal Bela

মৌলভীবাজারে চা বাগানে এক ঘণ্টায় চার খুন করে আত্মহত্যা করলো চা শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক: মৌলভীবাজারে চা বাগানে এক ঘন্টায় ৪ জনকে খুন করে আত্বহত্যা করলো এক চা শ্রমিক। বড়লেখা থানার পুলিশ বলছে, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাল্লাতল চা বাগানের এক শ্রমিক অন্তত চার জনকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।তারপর হত্যাকারী নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহতরা হত্যাকারীর স্ত্রী, শ্বাশুড়ি এবং বাকি দুজন প্রতিবেশী। নিহত প্রতিবেশী এক ব্যক্তি ও তার মেয়ে হত্যাকারীকে ঠেকানোর জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। নিহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসা একজন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও বাগান কর্তৃপক্ষ বলছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্ভবত এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সব মিলে পুরো ঘটনা ঘটতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছে। তবে ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম ও দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় নির্ভরযোগ্য বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। রবিবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটলেও এই প্রতিবেদন লেখার সময়েও পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলের পথে ছিল বলে উল্লেখ করেন বড়লেখা থানার ওসি ইয়াসিনুল হক। বাগানটি জেলা সদর থেকেও ৯০ কিলোমিটার দূরে। জায়গাটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত। কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক সেখানে নেই। ফলে সেখানে যারা পৌঁছেছেন তাদের সাথে যোগাযোগই করা যাচ্ছে না।

কী ঘটেছিল?

পুলিশ বলছে, বাগান কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক নির্মল কর্মকার রোববার ভোররাতে বাড়ি পৌঁছানোর পর স্ত্রীর সঙ্গে তর্কের এক পর্যায়ে তাকে দা নিয়ে ধাওয়া করে। সে সময় তার স্ত্রী দৌড়ে তার মায়ের ঘরে যান। এক পর্যায়ে স্ত্রী এবং শাশুড়ি দুজনকেই কুপিয়ে আহত করে ঐ ব্যক্তি। এ সময় প্রতিবেশী বসন্ত ও তার কন্যা শিউলি ঠেকানোর জন্য এগিয়ে এসে হামলার শিকার হন। পুরো ঘটনা ঘটানোর পরই সম্ভবত নিজের ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন নির্মল কর্মকার।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*