মায়ের হাতে খুন মিশু কন্যা

মুখে-গলায় স্কচটেপ পেঁচিয়ে নৃ’শংসভাবে নিজের দু’মাসের শি’শুকন্যাকে খু’ন করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বেলেঘাটার ওই মা সন্ধ্যা মালো।পরিকল্পনা করে অ’ত্যন্ত নিখুঁতভাবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই কাজ সেরে ফেলেন তিনি। দিনভর পরিবারের কাছে এবং পু’লিশের কাছে মেয়ে চু’রি যাওয়ার নাট’ক করেছেন।

 

এমনকি সেই নাট’কের অ’ভিনয়টাও এতটাই সুচারুভাবে করেছিলেন যে, এত নৃ’শংস একটা কাজ করার পরও প্রথম প্রথম তার চোখে-মুখে কোনো আক্ষেপ বা ভয়ের চিহ্ন খুঁজে পায়নি পু’লিশ।গতকাল রোববার ঘটনার ত’দন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পু’লিশের কাছে। যা দেখে হতভম্ব পু’লিশের অফিসাররা। পু’লিশ ওই নারীকে গ্রে’ফতার করেছে।

 

প্রাথমিকভাবে পু’লিশের অনুমান, শ্বা’সরোধ করে খু’ন করতে গেলে শি’শুর কা’ন্নার আওয়াজ আশেপাশের বাসিন্দারা বা আয়ার কানে পৌঁছবে, তাই আগেই মুখে এবং গলায় স্কচটেপ পেঁচিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।রোববার দুপুরে বেলেঘাটায় পু’লিশের ইএসডি ডিভিশনের সদরদপ্তরের কাছে একটি বহুতল ভবনে এই নৃ’শংস ঘটনা ঘটে।

 

সন্ধ্যা মালো নামে ওই নারী পু’লিশের কাছে অ’ভিযোগে জানিয়েছিলেন, তার সন্তান সানায়ার আয়া টুম্পা দাস যে যখন ছাদে ছিলেন, তখন এক অ’জ্ঞাতপরিচয় যুবক কলিংবেল বাজায়। তিনি দরজা খুলতেই তাকে ধাক্কা মে’রে শি’শুকন্যাকে ছিনিয়ে চম্পট দেয়। সে সময় বাড়িতে আর কেউই ছিলেন না। তার স্বামী সুদর্শন মালো কনস্ট্রাকশনের ব্যবসা সূত্রে বাড়ির বাইরে ছিলেন।

 

রোববার দুপুরে তিনি পু’লিশের কাছে এমন অ’ভিযোগ জানানোর পর তার কথায় কিছু সন্দেহ’জনক তথ্য পেয়েছিল পু’লিশ। পরে রাতে একটি ম্যানহোল থেকে ওই শি’শুকন্যার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়। তারপর মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদে আসল ঘটনা জানতে পারে পু’লিশ।কিন্তু কেন তিনি এমন কা’ণ্ড ঘটালেন তা এখনও জানতে পারেনি পু’লিশ। তাকে ও তার পরিবারের লোকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পু’লিশ। তার কোনো মানসিক সমস্যা রয়েছে কি না তাও জানতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলছে পু’লিশ। সূত্র : আনন্দবাজার।