ঝালকাঠিতে ফুল বিক্রয়ে স্বাবলম্বী পাইকার ও খুচরা ব্যাবসায়িরা

ঝালকাঠি
পয়লা ফাল্গুন তথা বসন্তবরণ এবং বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরই ঝালকাঠিতে পাইকারি মোকাম ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের পদচারণে সরগরম হয়ে ওঠে। এবারেও ব্যতিক্রম ঘটেনি। তাই তো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ করে চলছে ফুল বিক্রয়ের ব্যাস্ততা। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা এসব ফুল নিয়ে বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার পাইকারি ও খুবরা বিক্রয়ের করে থাকেন। ঝালকাঠির মোকাম থেকে দূর-দূরান্তের পাইকারদের কিনে নেওয়া গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা ও গাঁদা ফুল আজ বৃহস্পতিবার ও আগামি কাল শুক্রবার সারা দেশের খুচরা বাজারে বিক্রি হবে এসব ফুল।
ঝালকাঠির এই ফুলের মোকামে গতকালও ছিল ফুলচাষি ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে মৌসুমের সবচেয়ে ব্যস্ততম দিন। কারণ, পয়লা ফাল্গুনের আগের দিনই এখানে বছরের সবচেয়ে বড় হাটটি বসে। এদিনই হয় বছরের সর্বোচ্চ কেনাবেচা ফুলব্যাবসায়িকদের। বরাবরের মতো এবারেও তাই হয়েছে। সাধারণত সকাল আটটার মধ্যে ঝালকাঠির গালর্স স্কুল মোড় মোকামে কেনাবেচা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষক ও ব্যাপারীরা ফুল কেনাবেচা করেছেন।
জানতে চাইলে এক ফুল বিক্রেতা বলেন, ‘দুটি দিবস (পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস) উপলক্ষে প্রতিটি গোলাপ ৬ থেকে ১০ টাকা, জারবেরা ৫ থেকে ৮ টাকা, গ্লাডিওলাস ৫ থেকে ১০ টাকা ও রজনীগন্ধার প্রতিটি ডাঁটা ২ থেকে সাড়ে ৩ টাকা পাইকারি দরে বেচাকেনা হয়েছে। সূর্যের আলো উঁকি দেওয়ার আগেই এখানকার কৃষকেরা ফুল তুলে হাটে নিয়ে যান। সেই ফুল কিনে ব্যাপারীরা পাঠিয়ে দেন দেশের বিভিন্ন স্থানে।