Thursday , 4 March 2021
Home » দৈনিক সকালবেলা » পাচঁফোড়ন » নামাজ বাধ্যতামূলক করা সেই নোটিশ অবশেষে প্রত্যাহার

নামাজ বাধ্যতামূলক করা সেই নোটিশ অবশেষে প্রত্যাহার

গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড নামে একটি কারখানায় নামাজ বাধ্যতামূলক করে যে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে। নোটিশ জারির আট দিন পর সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওই নির্দেশ সংশোধন করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।গত ৯ ফেব্রুয়ারি জারি করা নোটিশে কারখানার ব্যবস্থাপকীয় (ম্যানেজমেন্ট) কর্মকর্তাদের জন্য মসজিদে গিয়ে তিন ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের প্রতি বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। নিজেদের ডেস্কে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজের অভ্যাস পরিবর্তনের কথা বলা হয় ওই নোটিশে। মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) অ্যাডভোকেট আবু শিহাব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অফিস নির্দেশনাটি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পাঞ্চ মেশিনে ফিঙ্গার পাঞ্চ করতে হবে। যদি কোনও স্টাফ মাসে সাত ওয়াক্ত পাঞ্চ করে নামাজ না পড়েন তবে সেক্ষেত্রে তার বেতন থেকে একদিনের সমপরিমাণ হাজিরা কাটা হবে।তবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নোটিশে বলা হয়, ‘নামাজের জন্য মুসলমান কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য যে নোটিশটি দেওয়া হয়েছিল তা শুধু উৎসাহ দেওয়ার জন্য। প্রকৃতপক্ষে বেতন কাটার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ভুল করে বেতন কাটার বিষয়টি উল্লেখ করায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’মাল্টিফ্যাবস কারখানার অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ জানান, ৯ ফেব্রুয়ারি নোটিশটি জারি করা হয়েছিল মূলত কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক থেকে তদূর্ধ্ব পদধারী কর্মকর্তাদের জন্য। সব মিলিয়ে এ রকম কর্মকর্তা হবে প্রায় ৭০ জন। বিষয়টি কেউ কেউ মেনে নেয়ায় সোমবার নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি ছিল কারখানার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।কারখানার উৎপাদন ব্যবস্থাপক ফরহাদুর রেজা ফারিন জানান, এ কারখানায় প্রতি মাসে ১৮ লাখ পিস তৈরি পোশাক উৎপাদন হয়। এ কারখানায় সব ধর্মের লোক নির্বিঘ্নে তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করতে পারেন। কাউকে বাধ্য করা হয় না। সবাই তাদের উৎসব বোনাস পেয়ে থাকেন। কারখানাটি রপ্তানিতে জাতীয় পুরস্কার পায়। এ কোম্পানি জাপান, রাশিয়া ও আমেরিকার বেশ কিছু দেশে তাদের ব্যবসা করছে। ২০১৬ সালে তাদের রপ্তানি আয় ছিল ৯ কোটি ডলার।

About Sakal Bela

নামাজ বাধ্যতামূলক করা সেই নোটিশ অবশেষে প্রত্যাহার

গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড নামে একটি কারখানায় নামাজ বাধ্যতামূলক করে যে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে। নোটিশ জারির আট দিন পর সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওই নির্দেশ সংশোধন করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।গত ৯ ফেব্রুয়ারি জারি করা নোটিশে কারখানার ব্যবস্থাপকীয় (ম্যানেজমেন্ট) কর্মকর্তাদের জন্য মসজিদে গিয়ে তিন ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের প্রতি বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। নিজেদের ডেস্কে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজের অভ্যাস পরিবর্তনের কথা বলা হয় ওই নোটিশে। মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) অ্যাডভোকেট আবু শিহাব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অফিস নির্দেশনাটি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পাঞ্চ মেশিনে ফিঙ্গার পাঞ্চ করতে হবে। যদি কোনও স্টাফ মাসে সাত ওয়াক্ত পাঞ্চ করে নামাজ না পড়েন তবে সেক্ষেত্রে তার বেতন থেকে একদিনের সমপরিমাণ হাজিরা কাটা হবে।তবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নোটিশে বলা হয়, ‘নামাজের জন্য মুসলমান কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য যে নোটিশটি দেওয়া হয়েছিল তা শুধু উৎসাহ দেওয়ার জন্য। প্রকৃতপক্ষে বেতন কাটার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ভুল করে বেতন কাটার বিষয়টি উল্লেখ করায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’মাল্টিফ্যাবস কারখানার অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ জানান, ৯ ফেব্রুয়ারি নোটিশটি জারি করা হয়েছিল মূলত কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক থেকে তদূর্ধ্ব পদধারী কর্মকর্তাদের জন্য। সব মিলিয়ে এ রকম কর্মকর্তা হবে প্রায় ৭০ জন। বিষয়টি কেউ কেউ মেনে নেয়ায় সোমবার নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি ছিল কারখানার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।কারখানার উৎপাদন ব্যবস্থাপক ফরহাদুর রেজা ফারিন জানান, এ কারখানায় প্রতি মাসে ১৮ লাখ পিস তৈরি পোশাক উৎপাদন হয়। এ কারখানায় সব ধর্মের লোক নির্বিঘ্নে তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করতে পারেন। কাউকে বাধ্য করা হয় না। সবাই তাদের উৎসব বোনাস পেয়ে থাকেন। কারখানাটি রপ্তানিতে জাতীয় পুরস্কার পায়। এ কোম্পানি জাপান, রাশিয়া ও আমেরিকার বেশ কিছু দেশে তাদের ব্যবসা করছে। ২০১৬ সালে তাদের রপ্তানি আয় ছিল ৯ কোটি ডলার।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*