’দেশের ইতিহাস বারবার বিকৃত করেও সত্য ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারে না।’: প্রধানমন্ত্রী

--প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: ফাইল ছবি

সকালবেলা অনলাইন ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের ইতিহাস বারবার বিকৃত হয়েছে। ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারে না। ইতিহাস-ইতিহাসই। ’বায়ান্ন থেকে একাত্তর পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের বিষয়ে তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে তিনি লিখে গেছেন। কিন্তু বারবার তার নাম ইতিহাস থেকে মুছে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাস বারবার বিকৃত করেও সত্য ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারে না।’

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের একুশে পদক বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে প্রয়াত আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক, শিল্পকলায় (নৃত্য) মো. গোলাম মোস্তফা খান, শিল্পকলায় (অভিনয়) এমএম মহসীন, শিল্পকলায় (চারুকলা) অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা জামান, মুক্তিযুদ্ধে প্রয়াত হাজী আক্তার সরদার (মরণোত্তর), প্রয়াত আব্দুল জব্বার (মরণোত্তর), প্রয়াত ডা. আ আ ম মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার) (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর), গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারি আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, অর্থনীতিতে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, সমাজসেবায় সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে ড. নুরুন নবী, প্রয়াত সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি এবং চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার। পাশাপাশি ‘গবেষণা’য় একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সরকার প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে আজ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, পুরস্কারের অর্থ এবং একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়।