Sunday , 29 November 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » দেশগ্রাম » অবৈধ নছিমন,করিমন গাড়ী থেকে গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের নামে মাসিক চাঁদা আদায়কারী কে এই রুহুল আমিন

অবৈধ নছিমন,করিমন গাড়ী থেকে গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের নামে মাসিক চাঁদা আদায়কারী কে এই রুহুল আমিন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:  কুষ্টিয়া ইবি থানার লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডে বসে রুহুল আমিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবৈধ নছিমন,করিমন,আলগামন গাড়ী থেকে প্রতি মাসে মাসিক চুক্তিতে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের নামের স্টিকার ব্যবহার করে  ৫০০-১০০০ টাকা চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগীরা জানান,রুহুল আমিন গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের স্টিকার ব্যবহার করে মাসিকভাবে যে চাঁদা তোলে তা সে কুষ্টিয়া ট্রাফিক অফিস,ইবি থানা এবং হাইওয়ে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন করছে। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রশাসনেরই নাম ভাঙিয়ে তিনি এই চাঁদাবাজী এক যুগেরও অধিক সময় ধরে করে আসছে। কথিত আছে লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডের রুহুল আমিন পুলিশের চিন্হিত দালাল হিসেবেই পরিচিত।কুষ্টিয়ার বর্তমান পুলিশ সুপার এস,এম তানভীর আরাফাত পিপিএম বার যোগদানের পর থেকেই তিনি মহা সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফের নির্দেশে মহা সড়কের চাঁদাবাজি বন্ধ করে দেয়। ভেঙ্গে দেয় টোল আদায়ের ঘর। মহা সড়কে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেন। একাধিক সুত্রে জানায়,লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডে বসেই রুহুল আমিন নিজের নাম সম্বলিত স্টিকার ব্যবহার করে চাঁদাবাজির জন্য সংগবদ্ধ চক্র অবৈধ যান থেকে মাসিক চুক্তিতে আবারো চাঁদাবাজি আবারো শুরু হয়। সরজমনে দেখা যায়, রুহুল আমিন মহা সড়কের গাড়ি থামিয়ে নছিমন,করিমন,আলগামন,আলমসাধু,ভটভটি,থেকে প্রতিমাসে ৫০০-১০০০ টাকা অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে। এতে কেউ চাঁদা দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে তাকে প্রশাসন দিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করছে রুহুল আমিন। একাধিক নছিমন করিমন চালকরা বলেন,আমরা নিরুপায় আইনশৃংখলা বাহিনীর উর্দ্ধতম কর্মকর্তারা চাঁদাবাজির জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করলেও আইনশৃংখলা বাহিনীর কিছু দূর্নিতী পরায়ন ব্যাক্তিদের যোগসাজসে এই দূর্নিতী হচ্ছে। এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী প্রতিবেদককে বলেন, আমরা নছিমন,করিমন,আলগামন গাড়ী ক্রয় করে রাস্তায় নামাতে হলে রুহুল আমিনকে পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হয়। শুধু তাই নয় পাঁচ শত থেকে এক হাজার টাকা করে মাসিক টাকা দেওয়া লাগে।রুহুল আমিনকে মাসিক টাকা না দিলে ক্ষমতা দেখিয়ে গাড়ী হাইওয়ে ফাঁড়িতে আটক করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পরে টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে আনে।রুহুল আমিন আরও বলে আমাকে মাসিক চাঁদা দিলে কোন পুলিশ গাড়ী ধরবে না। এ বিষয়ে রুহুল আমিনের সাথে সাক্ষাত করলে তিনি বলেন,আমি প্রতিমাসে কুষ্টিয়া জেলা ট্রাফিক অফিসে ১০ হাজার টাকা ,কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে ১০ হাজার টাকা,ইবি থানাতে ১০ হাজার টাকা করে দিয়েই এই চাঁদা উত্তোলন করে আসছি। এ ছাড়াও  প্রতিমাসে  হরিনারয়নপুর  পুলিশ ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা, আব্দালপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা,ঝাউদিয়া ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগে রাতে পুলিশের টহল পাহাড়ার জন্য অটো বা সি,এনজি রিকোজিশনের জন্য।সেহেতু আমার প্রশাসনের সকল দপ্তর ম্যানেজ রয়েছে।
 

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*