Thursday , 4 March 2021
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » দেশগ্রাম » কুষ্টিয়ায় পৃথক হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় পৃথক হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ঃ
কুষ্টিয়ার ইবি থানার ফরিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও আরো ১১ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক অরুপ কুমার গোস্বামী এই রায় দেন। এসময় মামলার ১২ জন আসামীর মধ্যে ৭ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৫ আসামী পলাতক আছে।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী কুষ্টিয়ার ইবি থানা বানিয়া পাড়া গ্রামের নফছের আলীর ছেলে জগো আলী(পলাতক) এবং যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো, একই থানার সোনাইডাঙ্গা গ্রামের বদর উদ্দিনের পুত্র ইলাম মন্ডল ওরফে কালু(পলাতক), বৃত্তিপাড়া গ্রামের মনোয়ার মন্ডলের পুত্র শহিদুল, গজনবীপুরের ফকির মন্ডলের পুত্র বাদশা মন্ডল(পলাতক), দেড়িপাড়া গ্রামের তয়াক্কেল জোয়াদ্দারের পুত্র আলিম জোয়াদ্দার, বারুইপাড়া গ্রামের আফাজ সদ্দারের পুত্র আমিরুল ইসলাম, উজানগ্রামের মোনাউল্লা’র পুত্র বাবলু(পলাতক), তাইজাল আলীর পুত্র সাইদুল, ইজ্জত আলীর পুত্র মিজানুর রহমান, ইয়ার আলীর ছেলে আলী হোসেন, মজিদ মন্ডলের পুত্র আসাদুল, সামসুল আলীর পুত্র ইউনুছ আলী। আদালত সুত্রে জানা যায়, ২০১২সালের ২৩ ডিসেম্বর চরমপন্থি সন্ত্রাসী ফরিদুল এর নেতৃত্বে আরো কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে মানিক মন্ডল নামের এক ব্যাবসায়ীকে মুক্তিপনের জন্য অপহরন করেন। পরে মুক্তিপনের টাকা নিয়ে ফরিদুলের সহযোগী জগোসহ অন্য সন্ত্রাসীদের সাথে ফরিদুলের বিরোধ বাধে। এসময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ফরিদুলের সহযোগীরা ফরিদুলের মাথা কেটে তাকে হত্যা করে এবং তার মাথা ইবি থানার বারুইপাড়া গ্রামের একটি ব্রিজের উপর রেখে দেয়। পরে পুলিশ এসে ওই কাটা মাথাটি উদ্ধার করে। এই ঘটনার পরের দিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার এস আই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী জানান, মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমাদেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে সোমবার কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এই রায় প্রদান করেন। রায় শেষে আসামীদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের প্রতিবন্ধীকে ধর্ষন মামলায় রানা হোসেন এবং বেলি খাতুন নামের দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচাররক মুন্সি মশিয়ার রহমান। এই মামলার দুই আসামী পলাতক থাকায় আসামীদের অনুপস্থিতিতেই সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টায় এই রায় ঘোষনা করা হয়।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*