কোয়ারেন্টাইনে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার

ফাইল ছবি

ক্রীড়া ডেস্কঃ 

করোনাভাইরাস ধীরে ধীরে ঘিরে ধরছে ক্রীড়াঙ্গনকেও। বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাতিল হয়েছে। এবার তো ফুটবলারদেরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে গুরুত্ব দিয়ে।

খেলার জগতে করোনাভাইরাস ঢুকে পড়লেও এতদিন বড় কোনো ফুটবল তারকাকে নিয়ে শঙ্কার কথা শোনা যায়নি। ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়া ইতালির তৃতীয় বিভাগের লিগে তিনজন খেলোয়াড় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।

তবে মঙ্গলবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ইংলিশ ক্লাব নটিংহ্যাম ফরেস্ট ও গ্রিক ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের মালিক ইভানগেলোস মারিনাকিস। এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই নতুন করে দুশ্চিন্তায় ফুটবলাররা।

করোনা শঙ্কার মধ্যেই গত কয়েকদিন নিজের ক্লাবের খেলা দেখতে এদিক ওদিক ঘুরে বেরিয়েছেন মারিনাকিস। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তার দল দারুণ খেলে বিদায় করেছেন আর্সেনালকে। সে ম্যাচটি দেখেছেন এমিরেটস স্টেডিয়ামে বসে। গত শুক্রবার মিলওয়ালের কাছে নটিংহ্যামের হারের ম্যাচেও ছিলেন মাঠে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, মিলওয়ালের বিপক্ষে ম্যাচের আগে নটিংহ্যামের ড্রেসিং রুমে গিয়েছিলেন মারিনাকিস। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এরপর গ্যালারিতে নটিংহ্যামের কয়েকজন সমর্থকের সঙ্গেও হাত মিলিয়েছেন তিনি।

একই কাজ করেছেন ইউরোপা লিগে আর্সেনাল-অলিম্পিয়াকোসের ম্যাচেও। যেহেতু মারিনাকিস করোনা-পজিটিভ হিসেবে ধরা পড়েছেন, ফলে যারা গত কয়েকদিনে তার সংস্পর্শে এসেছেন, তারা সবাই আছেন ঝুঁকিতে।

এই ঘটনার পর আর্সেনালের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। যদিও এই ফুটবালরদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তাদের যে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে, এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে খোদ ক্লাবটি।

গানার কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত যে পরামর্শ চিকিৎসকরা দিচ্ছেন, তাতে করে আর্সেনালের ফুটবলারদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তারপরও তারা যেহেতু আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাই নিয়ম মেনে ১৪ দিন আলাদা করে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম এল ইকুইপ বলছে, কিছু লক্ষণ থাকায় করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেরও।

কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে চিলির ফুটবল তারকা অ্যালেক্সিস সানচেজ আর আর্তুরো ভিদালকেও। বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচ খেলতে ইউরোপ থেকে দেশে ফেরার পর তাদের জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চিলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।