Wednesday , 2 December 2020
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
Home » জাতীয় » দেশে হার্ড ইমিউনিটিতে সুফল দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা

দেশে হার্ড ইমিউনিটিতে সুফল দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা

বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসের(কভিড-১৯) হার্ড ইমিউনিটিতে সুফল দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এ পথে গেলে বেসামাল হয়ে পড়বে চিকিৎসা ব্যবস্থা। তাই সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সতর্কতার পরামর্শ তাদের। আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় তারা বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে ঈদের আগে ও পরে আরো কঠোর করতে হবে বিধিনিষেধ।
দেশে প্রতিদিন করোনা শনাক্ত হচ্ছে এক হাজারের বেশি মানুষের। প্রতি তিন মিনিটে আক্রান্ত হচ্ছেন একজন। যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। থামছে না মৃত্যুও।
এ অবস্থায় সীমিত পরিসরে খুলেছে দোকানপাট-মার্কেট। এতে বেড়েছে জনসমাগম, সড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ। চলছে পোশাক কারখানাও। আক্রান্তের সংখ্যা যখন সবচেয়ে বেশি তখন বিধিনিষেধ শিথিলে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
এখন সামনে খোলা আছে হার্ড ইমিউনিটির পথ। এতে করোনা আক্রান্ত হতে হবে মোট জনসংখ্যার ৬৭ ভাগের। সে হিসাবে ১০ কোটি আক্রান্ত হলে জটিল অবস্থায় পড়বে ৫০ লাখ মানুষ। আর এর ১০ ভাগের এক ভাগকেও চিকিৎসা দেয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।
তাই হার্ড ইমিউনিটির চিন্তা বাদ দিয়ে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানায় গুরুত্ব দিতে বলেন আইইডিসিআর এর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন।
রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন বলেন, অনেক রোগের ক্ষেত্রেই হার্ড ইমিউনিটি হলে তার মেয়াদ থাকে কয়েক বছর। আর করোনার ক্ষেত্রে হার্ড ইমিউনিটি হলে তা থাকতে পারে এক বছরেরও কম সময়। এতে পরের বছর আবার আক্রান্তের শঙ্কা থেকে যাবে।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঈদের আগে ও পরে কঠোর লকডাউনের পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

About Sakal Bela