Tuesday , 29 September 2020
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » দেশগ্রাম » রাজশাহীর তানোরে ধান কাঁটা-মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা

রাজশাহীর তানোরে ধান কাঁটা-মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা

অনলাইন ডেস্ক:
টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাজশাহীর তানোরে ধান কাঁটা ও মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। শুধু কৃষকরাই না পানিতে ভিজে যাওয়া ধান কাটতে ও মাড়াই করতে শ্রমিকরাও পড়েছেন বেকায়দায়। আবার ভিজে ধান কাটতে কদর বেড়েছে শ্রমিকের। ফলে বাধ্য হয়ে অধিক মূল্যে ধান কেটে নিতে হচ্ছে বলে একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলায় দুই ধরনের বোরো ধান চাষ হয়। অবশ্য আগাম জাতের ধান ইতিপূর্বেই কৃষকরা ঘরে তুলেছেন। আর আগাম বোরো চাষ বেশি হয় বিলকুমারী বিলে। শুকনো অবস্থায় চাষিরা ওই ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে। যে সময় বিলের ধান কাটা হয় ওই সময়ে বা তার আগে চলে আলু উত্তোলনের কাজ। আলু উত্তোলন করেই রোপণ করা হয় বোরো ধান। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ধান কাটা যায়।
আজ রবিবার উপজেলার তানোর গোল্লাপাড়া গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম, তানোর গ্রামের ইয়াছিন আলী, ইব্রাহিম, সিন্দুকা গ্রামের আব্দুল হান্নান, সালাম মন্ডল, গুবিরপাড়া গ্রামের জিল্লুর রহমান, লুৎফর রহমান বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ধান কাটা ও মেশিনে ভিজে ধান মাড়াই করতে হচ্ছে। খড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রোদ না থাকায় আর মাড়াই শেষে ধান শুকানো যাচ্ছে না। একবার ধান মেলে দিয়ে আসছি তো একটু পরে শুরু হচ্ছে বৃষ্টি। এ জন্য আবার সেই মেলে দেওয়া ধান পলিথিন দিয়ে ঢাকতে হচ্ছে। এভাবেই সারাটা দিন পার হয়ে যাচ্ছে। পুরোদমে রোদ না পাওয়া পর্যন্ত ধান শুকানো সম্ভব না। এভাবে আর কয়েকদিন চলতে থাকলে ধানে ট্যাক বা গাছ বের হয়ে যাবে। তখন ধানের ভাত বেশিক্ষণ থাকবেও না এবং স্বাদও পাওয়া যাবে না।
তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুল ইসলাম বলেন, এবারে উপজেলায় ১৩১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। ইতিপূর্বে আগাম জাতের শুকনো ধান কৃষক ঘরে তুলেছেন। ফলনও হয়েছে। আলুর জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে। বৃষ্টির ধান নিয়ে কৃষকদের সমস্যা হচ্ছে।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!