Friday , 25 September 2020
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » দেশগ্রাম » উলিপুরে পানিবন্দি সাড়ে ৪ হাজার পরিবার

উলিপুরে পানিবন্দি সাড়ে ৪ হাজার পরিবার

অনলাইন ডেস্ক:
টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে চর-দ্বীপচরসহ নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক চরে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। সেই সাথে কয়েকশ বসত-বাড়ি ও আবাদী জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে ভাঙন কবলিত এসব মানুষজন মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগণ বলেন, টানা কয়েকদিনের হালকা ও ভারি বর্ষণের ফলে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চর গুজিমারী, হাতিয়া গ্রাম, থেতরাই ইউনিয়নের জুয়ান সতরা, পুর্ব জুয়ান সতরা, হোকডাঙ্গা গ্রাম, মাঝিপাড়া, বজরা ইউনিয়নের সাতালস্কর, চর বজরা, কালপানি বজরা, বগলাকুড়া,খামার, বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের জলাঙ্গের কুটি, নামাজের চর, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের রামখানা, চর মাষ্টারপাড়া, সাহেবের আলগা ইউনিয়নের সুখের চর, জাহাজের আলগা,গুজিমারী গেন্দার আলগাসহ ৮টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক চর ও দ্বীপচরে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। পানিবন্দি এসব মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, ব্রম্মপুত্র নদীর পানি চিলমারী পযেন্টে ৯ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যহত থাকবে। ফলে এ এলাকায় ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. আব্দুল কাদের বলেন, বন্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৪৮ মেট্রিকটন জিআর চাল ও ৫ লাখ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। আগামী দুই একদিনের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।

About Sakal Bela

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!