Tuesday , 29 September 2020
Home » জাতীয় » কক্সবাজারে ভূমিহীনরা পাচ্ছেন স্থায়ী নিবাস

কক্সবাজারে ভূমিহীনরা পাচ্ছেন স্থায়ী নিবাস

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য নির্মিত আধুনিক আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন হচ্ছে কাল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন মানুষেরা দীর্ঘ অপেক্ষার পর পেতে যাচ্ছেন তাদের স্থায়ী নিবাস।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হয়েছিলেন আবুল বাসার। তবে সেই দুঃখ অনেকটাই এখন নেই। আবুল বাসার পেতে যাচ্ছেন আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি ফ্ল্যাট। আবুল বাসারের মতো ভূমিহীন অনেকেই আছেন যারা পেতে যাচ্ছেন মাথা গোজার স্থায়ী ঠিকানা।
বাঁকখালী নদীর তীরে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্প। মনোরম পরিবেশে বহুতল ভবনগুলো হবে ভূমিহীন্দের আশ্রয়স্থল। যারা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্বজন ও আশ্রয় হারিয়েছেন সেইসব পরিবারকে দেয়া হবে একেকটি ফ্ল্যাট।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন,  যে সব দুস্থ-অসহায় মানুষ আছেন। তাদের তালিকায় আমরা ২০১২ সালে করেছিলাম।এটার পুরো ম্যানেজমেট সরকারের পক্ষ থেকে এবং জেলা প্রশাসনের যে কমিটি আছে তারা দেখভাল করবে।”
৪৪০৯ টি পরিবার কে দেয়া হবে আশ্রয়ন প্রকল্পের একেকটি ফ্ল্যাট। ভবন হবে ১৩৯ টি। তবে প্রায় আড়াইশ একরের এই জায়গায় প্রাথমিকভাবে ৬০০ পরিবারকে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হবে।
কক্সবাজার আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, “প্রায় ৬০০ পরিবারকে এখানে আশ্রয় দেয়া হবে। যাদের বেশির ভাগই মৎসজীবী।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আগ্রহে অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। যা দেশের মধ্যে সবথেকে বড় ও আধুনিক আশ্রয় প্রকল্প। কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মাঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, “এটা প্রথম ফেজ। এর পর দ্বিতীয় ফেজও আসবে যেখানে আরো ১১৯ টি বিল্ডিং হবে। যেখানে আরো ভুক্তভোগীরা আসবেন।”
ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙনে গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ন নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় যা প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

About Sakal Bela

কক্সবাজারে ভূমিহীনরা পাচ্ছেন স্থায়ী নিবাস

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য নির্মিত আধুনিক আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন হচ্ছে কাল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন মানুষেরা দীর্ঘ অপেক্ষার পর পেতে যাচ্ছেন তাদের স্থায়ী নিবাস।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হয়েছিলেন আবুল বাসার। তবে সেই দুঃখ অনেকটাই এখন নেই। আবুল বাসার পেতে যাচ্ছেন আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি ফ্ল্যাট। আবুল বাসারের মতো ভূমিহীন অনেকেই আছেন যারা পেতে যাচ্ছেন মাথা গোজার স্থায়ী ঠিকানা।
বাঁকখালী নদীর তীরে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্প। মনোরম পরিবেশে বহুতল ভবনগুলো হবে ভূমিহীন্দের আশ্রয়স্থল। যারা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্বজন ও আশ্রয় হারিয়েছেন সেইসব পরিবারকে দেয়া হবে একেকটি ফ্ল্যাট।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন,  যে সব দুস্থ-অসহায় মানুষ আছেন। তাদের তালিকায় আমরা ২০১২ সালে করেছিলাম।এটার পুরো ম্যানেজমেট সরকারের পক্ষ থেকে এবং জেলা প্রশাসনের যে কমিটি আছে তারা দেখভাল করবে।”
৪৪০৯ টি পরিবার কে দেয়া হবে আশ্রয়ন প্রকল্পের একেকটি ফ্ল্যাট। ভবন হবে ১৩৯ টি। তবে প্রায় আড়াইশ একরের এই জায়গায় প্রাথমিকভাবে ৬০০ পরিবারকে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হবে।
কক্সবাজার আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, “প্রায় ৬০০ পরিবারকে এখানে আশ্রয় দেয়া হবে। যাদের বেশির ভাগই মৎসজীবী।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আগ্রহে অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। যা দেশের মধ্যে সবথেকে বড় ও আধুনিক আশ্রয় প্রকল্প। কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মাঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, “এটা প্রথম ফেজ। এর পর দ্বিতীয় ফেজও আসবে যেখানে আরো ১১৯ টি বিল্ডিং হবে। যেখানে আরো ভুক্তভোগীরা আসবেন।”
ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙনে গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ন নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় যা প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

About Sakal Bela

error: Content is protected !!