Saturday , 19 June 2021
ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » অপরাধ ও দূর্নীতি » কুষ্টিয়া কেটিসিসিএর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত ও হিসাব রক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
কুষ্টিয়া কেটিসিসিএর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত ও হিসাব রক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুষ্টিয়া কেটিসিসিএর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত ও হিসাব রক্ষক মনিরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:-কুষ্টিয়া কেটিসিসিএ লিঃ এর সরকারি জমি দালাল মারিফতে বিক্রয় করে একাংশ টাকা সরকারকে দিয়ে বাদ বাকি টাকা আত্মসাত করে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে নিচ্ছে কেটিসিসিএ লিঃ এর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী এবং হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়,কুষ্টিয়া শহরের বড় বাজার হাজী আশরাফ ফ্লাওয়ার মিলস সংলগ্ন প্রায় ২৬ শতক সরকারি জমি,বিআরবি হাসপাতালের সামনে রাস্তার অপজিটে ৫১ শতক সরকারি  জমি, বৃত্তিপাড়া বাজার সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ১৭ শতক সরকারি জমি মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী এবং হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম।যার একাংশ মুল্যের টাকা  অফিসে সরকারি ফান্ডে জমা করে বাদ বাকি টাকা আত্মসাধ করছেন দুজনে মিলে।কেটিসির এজিএমের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত মে ২০২০ ইং তারিখের মাসের বাৎসরিক  হিসাবে জামানত বাবদ প্রায় ৫ কোটি টাকার কোন হুদিস পাইনায় অফিস কতৃপক্ষ এবং সেই লোপাট হওয়ার প্রমান পেয়েছেন অফিস কতৃপক্ষ কেটিসিসিএর হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম এবং অফিস নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে।কেটিসিসিএর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সরকারী টাকা আত্মসাত করে বর্তমানে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে গোপন সুত্র জানায়। জানা যায়,কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈলের আনছার ক্যাম্পের সামনে লিয়াকত আলী একটি আলিশান বাড়ি করেছেন যার আনুমানিক মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এ ছাড়া মনিরুল ইসলাম কেটিসিসিএর হিসাব রক্ষক হিসেবে সামান্য বেতনে চাকরী করেন কিন্তু পাশাপাশি প্রতারনার ব্যবসা করে সরকারি টাকা আত্মসাত করে নিজ গ্রামে আলিশান বাড়ি করেছেন যার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এ ছাড়াও মনিরুলের নিজের নামে বারুইপাড়া মাঠে ৭ বিঘা,দূর্বাচারা ভালুকগারা মাঠে ৮ বিঘা, দূর্বাচারা মাঠে ১০ বিঘা জমি ক্রয় করে রেখে দিয়েছেন যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।তিনি সামান্য বেতনে চাকুরী করে কিভাবে এত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এ নিয়ে এলাকার সাধারন মানুষের মুখে নানান ধরনের গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। তার পিতার এমন কোন সহয় স্বম্বল এবং মাঠাম সম্পত্তি না থাকলেও সরকারি সম্পত্তি বিক্রয় ও মানুষদের সাথে প্রতারনা করে  বর্তমানে এই অবৈধ সম্পদ তিনি গড়েছেন বলে স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়।এ বিষয় নিয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় এবং জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে গত ১৭ আগস্ট ২০২০ ইং তারিখে কেটিসিসিএ লিঃ এর অফিসে কুষ্টিয়া জেলা সমবায়  অফিসারের কর্মকর্তারা তদন্তের জন্য অভিযান পরিচালনা করলে অফিসে পিয়ন রেখেই পালিয়ে যায় কেটিসিসিএর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত, হিসাব রক্ষক মনিরুল সহ সমস্ত কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়া জেলা সমবায় অফিসের স্পেশাল প্রতিবেদন সুত্রে জানা যায়, কেটিসিসিএর ৩১/১০/২০১৫ ইং তারিখে নির্বাচিত ব্যাবস্থাপনা কমিটিতে কিছু অসমবায়ী মনোভাবের লোকের আগমন ঘটায় তাদের সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আগত নির্বাহী কর্মকর্তার যোগসাজশে সম্পদ বৃদ্ধির পরিকল্পনা না করে সমিতির স্থায়ী সম্পদ ধংসের পায়তারা করতে থাকে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধীর জন্য সরকারের অনুমতি গ্রহন ব্যাতিরেকেই সরকারি মনোনিত সদস্যদের আপত্তির মুখেও প্রতিষ্ঠানের ১১/২/২০১৬ ইং তারিখে সবার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিজেদের সাজানো প্রক্রিয়ায় সমিতির নিজ নামীয় বাহাদুরখালী মৌজায় আর এস খতিয়ান নং ৩০৯ আর এস দাগ নং ২৮১২ মোট জমির পরিমান ০.২৬৬২ একর জমি এবং উজান গ্রাম মৌজার আর এস খতিয়ান নং ১৪/২ আর এস দাগ নং ৭৩৯ মোট ০০.১০ একর জমি মোট ৩ কোটি ৭৪ লক্ষ ৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করলেও সমিতির ক্যাশ খাতায় বিক্রয় মূল্য অদৃশ্য কারনে দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৮৮ লক্ষ ৬ হাজার ১০০ টাকা।যার বাদ বাকি টাকা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলামের সাথে  যোগসাজশে ২ জন মিলে আত্মসাত করেছে।  ক্যাশ খাতায় উত্তোলিত টাকার মধ্যে ১ কোটি টাকা অগ্রনী ব্যাংক থানা পাড়া শাখা কুষ্টিয়ায় সঞ্চয়ী হিসেবে জমা রাখা হয়। উক্ত হিসাবের ভুল ত্রুটি ধরে সমিতির নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী দূর্নিতীর আশ্রয় গ্রহন করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নিজের পছন্দের ব্যাংক এসবিএসি ব্যাংকে গত ৩১/৭/২০১৭ ইং তারিখে ০০৫৮২৪২৩০৫২৮ নং হিসাব খোলেন এবং উক্ত তারিখে সমিতির নামীয় চলতি হিসাব নং ০০৫৮১৩০০০০৩৪ খোলেন এবং অবৈধভাবে জমি বিক্রয়ের কিছু টাকা জমা করেন।উক্ত ব্যাংকে তার নিজের নামে ১২/১০/২০১৭ ইং তারিখে এসওডি হিসাব নং ০০৫৮৬২৩০০০০৪৮ খোলেন। নিজের ব্যবসায়ীক স্বার্থ সিদ্ধির মানোষিকতায় সমিতির ব্যাবস্থাপনা কমিটিতে সরকারি নিয়োগকৃত ব্যাক্তিদের না জানিয়ে ব্যাংকের হিসাব পরিবর্তনের এজেন্ডা গোপনে ১০/৮/২০১৭ ইং তারিখে ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভায় এসবিএসি ব্যাংকের হিসাবের বিপরীতে এসওডি ঋণ গ্রহনের সুবিধা ও ব্যাক্তিঋন সুবিধার্তে ঋন গ্রহন করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী। উক্ত ব্যাংকে সমিতির ২ টি হিসাব রয়েছে। কোন হিসাবের বিপরীত ঋন নিতে পারবে বলে উল্লেখ নেই। অবৈধ সভার সিদ্ধযান্তের আলোকে সমিতির অংশের পথ সুগম করে অর্থ আত্মসাতের নির্মিত্তে একই ব্যাংকে সমিতির ০০৫৮১৩০০০০৩৪ নং হিসাব থেকে ৫/১০/২০১৭ ইং তারিখে ১ কোটি টাকা ট্রান্সফার করে ০০৫৮২৪২৩০৫২৮ নং হিসাবে ৫/১০/২০১৭ ইং তারিখে ১ কোটি টাকার ৬% লাভে এফডিআর করেন। ব্যাক্তিগত কাজে অর্থের প্রয়োজনে নিজের নামে সমিতির নামীয় ০০৫৮২৪২০০০৫২৮ নং হিসাবের বিপরীতে ১২/১০/২০১৭ ইং তারিখে ৮% সুদে এসওডি ঋন গ্রহন করেন। ঋনের সুদ প্রতিমাসে পরিশোধ না হওয়ায় সমিতির নামীয় ০০৫৮২৪২০০০৫২৮ নং হিসাব থেকে ৬%+৮%+=১৪ % হিসাবে সুদ কর্তন হতে থাকে যার সবকিছু সহযোগিতা করেছে হিসাব রক্ষক মনিরুল। কিন্তু সমিতির নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত বিষয়টি গোপন করেন এবং ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ কিছু প্রভাবশালী সদস্য নীরব থাকেন। এরুপ চলমান থাকায় এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮/১১/২০১৯ ইং তারিখে সমিতির নামীয় হিসাবের অবশিষ্ট সমূদর ১ কোটি ১২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬০২ টাকা ৩২ পয়সা টাকা নিজ ক্ষমতায় একই ব্যাংকে নিজের নামীয় ০৯৫৮৬২৩০০০০৪৮ নং হিসাবে হস্তান্তর করেন। সমিতি কতৃপক্ষ বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে তিনি তার নামীয় হিসাব থেকে গত ২৮/১১/২০১৯ ইং তারিখে সমিতির ০০৫৮১৩০০০০৩৪ নং হিসাবে ৩৩ লক্ষ ৬০ হাজার ৮৯৯ টাকা ফেরত প্রদান করেন। যার মধ্যে ৩১ লক্ষ টাকা পরবর্তীতে এনআরবিসি ব্যাংকে এফডিআর করা হয়। সে হিসাবে সমিতির মোট আসল ৭৯ লক্ষ ২২ হাজার ৭০৩ শত টাকা ৩২ পয়সা নগদে নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত আলী আত্মসাত করেন হিসাব রক্ষক মনিরুলের সাথে করে। নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী প্রতিষ্ঠানের জমাকৃত অর্থ নিজের মনে করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে   সমবায় সমিতি হিসাবে নিবন্ধকের অনুমতি ব্যতিকেরেই নিজের ইচ্ছামত কনজুমার্স ঋন প্রদান করেছেন।সেক্ষেত্রে নিজের নামে বেনামে নাম মাত্র সুদ নিয়ে প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী ও হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম। নিম্নে তার কিছু বিবরন উল্লেখ করা হইলো,, ঋন প্রদানকারী নং (১) নির্বাহী কর্মকর্তার ছেলে মোঃ আবু সাইফ হাদিকুর রহমান  ২৮/৬/২০১৮ ইং তারিখে ৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋন গ্রহন করেন এবং ২৭/২/২০১৯ ইং তারিখে ঋন পরিশোধ করেন যার সুদ পরিশোদের পরিমান ১২ হাজার ৫০০ টাকা ও সুদ কমের পরিমান ৯৮ হাজার ৪০০ টাকা। ঋন প্রদানকারী নং (২) নির্বাহী কর্মকর্তা  লিয়াকত আলী পিতা মোঃ মৃত আবু তালেব ১৩/৩/২০১৯ ইং তারিখে ৭ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করেছেন যা এখনো পর্যন্ত পরিশোধ হয়নি এবং সুদের কোন পরিমান উল্লেখ নেই,,, ঋন প্রদানকারী নং (৩ ) জনাম মোঃ আব্দুর রহমান টিংকু তার কোন পিতার নাম উল্লেখ নেই ২৮/৬/২০১৮ ইং তারিখে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ঋন গ্রহন করেন এবং ২৭/২/২০১৯ ইং তারিখে ঋন পরিশোধ করেন যার সুদের পরিশোদের পরিমান  ১১ হাজার টাকা ও সুদ কম পরিশোদের পরিমান ৯০ হাজার। সমিত অডিটকালে লেজারে দেখা যায়, উপরোক্ত ০১ ও ০৩ নং ক্রমিকের ঋন পরিশোধের ক্ষেত্রে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪০০ টাকা সুদ কম নিয়ে হিসাব বন্ধ করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী ও হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম। পরবর্তীতে ডিটেইলস লিস্টে ঋন প্রদানকারীদের নামে আসল পাওনা নাই কিন্তু সুদ পাওনা দেখানো হয়েছে যা হয়েছে নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী এবং হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলামের যোগসাজশে। পরিশেষে,১) সমিতির স্থায়ী সম্পদ জমি বিক্রয় ক্ষেত্রে জালিয়াতির, ২) সমিতির নামীয় হিসাব থেকে অর্থ হস্তান্তর করে নিজ নামে গ্রহন করে অর্থ আত্মসাত , ৩) নিজ পরিচিতদের নামে বেনামে ঋন প্রদান করে সমিতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা,, ৪) ১৪% হারে সমিতির এফডিআর হতে এসওডি ঋন হিসাবে লভ্যাংশ গ্রহন করা ,, ৫) ২৮/১১/২০১৯ ইং হতে সমিতির এফডিআর এর লভ্যাংশ প্রাপ্তি বন্ধ সহ অনিয়ম দূর্নিতী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জরুরীভিত্তিতে নির্বাহী অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী সম্প্রসারন উপদর্ষক ”ক” পানি উন্নয়ন বোর্ড  কুষ্টিয়া এর নিকট থেকে নগদ ৭৯ লক্ষ ২২ হাজার ৭০৩ টাকা ৩২ পয়সা ১৪% হারে সমিতির এফডিআর হতে এসওডি ঋন৷ হিসাবে লভ্যাংশ গ্রহনের অর্থ  এবং ২৮ /১১/২০১৯ ইং হতে সমিতির এফডিআর এর লভ্যাংশ প্রাপ্তির বাকি অংশ ফেরতের প্রয়োজনীর উদ্দোগ গ্রহন ও নির্বাহী কর্মকর্তার  বিষয়ে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বৃত্তিপাড়া এলাকার আলাউদ্দিন বলেন,বৃত্তিপাড়া তেল পাম্পের পাশে ১০ শতক জমি বিক্রয়ের জন্য একটি টেন্ডার হয় সেখানে দুইটি কমিটি মূল কমিটি এবং একটি উপকমিটি গঠন করা হয়। প্রথম লয়িস্ট হিসেবে আমরা ছিলাম কিন্তু হিসাব রক্ষক মনিরুল দ্বিতীয় লয়িস্টদের কাছে থেকে ঘুষ খেয়ে তাদের কাছে ৩৬ লক্ষ ১১ হাজার টাকায় বিক্রয় করে দেয়।পরবর্তীতে আমরা ফাস্ট লয়িস্টরা মনিরুলের বিরুদ্ধে মামলা করি এবং সেই মামলা উইথড্র করার ধান্দায় মনিরুল আমাদের বিরুদ্ধে একটি চাদাবাজির মামলা করে তখন আমরা বাধ্য হয়ে সেই মামলা উইথড্র করে ফেলি। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা সমবায় অফিসার মিজানুর রহমান জানান,তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়েছি লতা ছাড়া অফিস নির্বাহীকে আগে থেকে চিঠির মাধ্যমে তদন্তের দিন বলা হয়েছিলো। তারপরও তারা অফিস ছেড়ে পালিয়ে যায়।কেটিসিসিএ দূর্নিতীর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। 

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*