Sunday , 18 April 2021
Home » জাতীয় » মেয়ে-জামাইয়ের নিয়োগ নিয়ে মুখ খুললেন রাবি উপাচার্য
মেয়ে-জামাইয়ের নিয়োগ নিয়ে মুখ খুললেন রাবি উপাচার্য

মেয়ে-জামাইয়ের নিয়োগ নিয়ে মুখ খুললেন রাবি উপাচার্য

রাবি প্রতিনিধি :

সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। তদন্ত কমিটি উপাচার্যের পঁচিশটি দুর্নীতির বিষয়ে প্রমাণ পায়। আর সেই তদন্ত প্রতিবেদন তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শিক্ষামন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দেন। তবে এই তদন্ত প্রতিবেদনকে একপাক্ষিক বলে দাবি করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

আজ রবিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ইউজিসি তদন্ত কমিটি যদি ‘মেয়ে-জামাই-কে নিয়ােগদানের জন্য উপাচার্য নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন’ এমন মন্তব্য করে থাকে, তাহলে সেই তদন্ত পক্ষপাতহীন হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় না।  উপাচার্য আব্দুস সোবহান বলেন, সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে লিখিতভাবে আমার মতামত জানতে চাইলে নিয়ােগ নীতিমালা প্রণয়নের সামগ্রিক প্রক্রিয়া সবিস্তারে তথ্য প্রমাণসহ আমি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে দাখিল করেছি। কিন্তু প্রকাশিত খবরের ভাষ্য সঠিক হলে অনুমান করা যায় যে, তদন্ত কমিটি আমার দাখিলকৃত তথ্য প্রমাণাদি আমলে নেয়নি।’

তি আরও বলেন, কোন কোন গণমাধ্যমে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট নিয়ােগ বাের্ড যে প্রার্থীদের ক্লাস নেবার পারদর্শিতা (ডেমাে) যাছাই করেছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়ােগের ক্ষেত্রে ডেমাে বা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে প্রদর্শনীর আয়ােজনের রেওয়াজ নেই। নিয়ােগ বাের্ড কেবলমাত্র আবেদনের যােগ্যতাসম্পন্ন উপস্থিত প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সকল যােগ্যতা যাচাই করে থাকে।

উপাচার্য বলেন, ‘যেকোন আমলযােগ্য অভিযােগের তদন্ত বাঞ্চনীয়। আমি তদন্তের বিপক্ষে নই। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযােগগুলো যথাযথ হলে তা তদন্তে আমার একশতভাগ সম্মতি আছে। তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ আইনসিদ্ধভাবে গঠিত পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে।

যেকোন আমলযােগ্য অভিযােগের তদন্ত বাঞ্চনীয়। আমি তদন্তের বিপক্ষে নই। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযােগগুলো যথাযথ হলে তা তদন্তে আমার একশতভাগ সম্মতি আছে। তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ আইনসিদ্ধভাবে গঠিত পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে। 

এবিষয়ে আমি চেয়ারম্যান বরাবর পত্র দিয়েছি। আমি আশা করেছিলাম, সেই পত্র বিবেচনায় নিয়ে তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। বরং আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি ইতােমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বলাবাহুল্য প্রতিবেদনটি তাই একপেশে এবং পক্ষপাতমূলক বলেও এসময় তিনি মন্তব্য করেন।

তবে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন একপেশে কিনা- সেটা শিক্ষামন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া আছে, তারাই দেখবে।’

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*