Sunday , 18 April 2021
Home » দৈনিক সকালবেলা » উপজেলার খবর » “ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে উর্বর ফসলী জমি ও বাড়িঘর” সিরাজদিখানে নদী ভাঙন থেকে বাচঁতেগ্রামবাসীর মানববন্ধন
“ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে উর্বর ফসলী জমি ও বাড়িঘর” সিরাজদিখানে নদী ভাঙন থেকে বাচঁতেগ্রামবাসীর মানববন্ধন

“ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে উর্বর ফসলী জমি ও বাড়িঘর” সিরাজদিখানে নদী ভাঙন থেকে বাচঁতেগ্রামবাসীর মানববন্ধন

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
ধলেশ্বরী নদী ভাঙনের কবলের পড়েছে সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ও বাসাইল ইউনিয়নের ২ টি গ্রাম ও ৩ ফসলি জমি । বর্ষার শুরুর সাথে সাথে এবং নদীতে চলাচলরত নৌযানের ঢেউয়ের কারনে নদীর পাড় এলাকায় ৩ ফসলী উর্বর জমিগুলো বিলীন হতে চলছে। বাড়ি-ঘর ভাঙনের আশঙ্কায় করছে গ্রামবাসী। ভাঙনরোধে সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করে ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় চান্দেরচর এলাকায় মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চান্দেরচর ও বাসাইল ইউনিয়নের চরগুলগুলিয়া গ্রামের নদীর সীমানা পিলারসহ ৩ ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ধলেশ্বরী নদীর স্রোতে  চলাচলরত নৌযানের ঢেউয়ে ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে যাবে বাড়ি ঘর, স্কুল, মসজিদ, হাট বাজার। মানববন্ধনে অংশে নেওয়া বালুচর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, ধলেশ্বরী নদী এ পর্যন্ত নদী পিলাসহ ৩ ফসলী জমি বিলিন হয়ে গেছে ভাঙ্গনের কবলে রয়েছে ঘর – বাড়ি,স্কুল,মাদ্রসা,মসজিদ ও ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক সরকার যদি খুব দ্রুত ব্যবস্থা না নেয় তাহলে ২ টা গ্রামের ঘরবাড়ি নদীতে বিলিন হয়ে যাবে । এছাড়া এলাকাবাসী আরো জানান, আমরা আতঙ্কে আছি যে ভাবে জমি ভাঙ্গতে শুরু করেছে বিগত কয়েক বছর যাবত। যদি এ ধারা অব্যাহত থাকে আগামী বছরে আমাদের এই চান্দের চর এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ধলেশরী নদীতীর ধীর গতিতে ভাঙছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। তবে প্রায় দুইশত মিটারের পর লোকালয় থাকায় বিষয়টি নিয়মিত নজরদারীতে রেখেছেন তারা। শীঘ্রই সশরীরে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে কোন প্রকার দুর্যোগ হওয়ার আগেই প্রতিরোধের ব্যবস্থায় উর্ধতনদের জানাবো।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*