Wednesday , 14 April 2021
Home » প্রচ্ছদ » থার্টিফার্স্ট নাইট নিয়ে ডিএমপির যত নির্দেশনা
থার্টিফার্স্ট নাইট নিয়ে ডিএমপির যত নির্দেশনা

থার্টিফার্স্ট নাইট নিয়ে ডিএমপির যত নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক:

আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও করোনা মহামারির কারণে থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে গতকাল মঙ্গলবার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নির্দেশনা অনুযায়ী, উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে অনুষ্ঠান করতে হবে। এ ছাড়া পটকাবাজি, আতশবাজি, বেপরোয়া গাড়ি, মোটরসাইকেল চালানোর ওপর আরোপ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। 

গতকাল ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন দেশে সীমিত আকারে ইংরেজি নববর্ষ পালন করা হচ্ছে। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায়ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে নির্ধারিত অনুষ্ঠান করা হবে। তবে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না।

ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ৩১ ডিসেম্বর রাতে পটকাবাজি, আতশবাজি, বেপরোয়া গাড়ি, মোটরসাইকেল চালানোসহ যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ ও বেআইনি কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।’ 

ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো : রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তা, ভবনের ছাদ এবং প্রকাশ্যে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ কিংবা উত্সব করা যাবে না। উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান করা যাবে না। কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি বা পটকা ফোটানো যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে শাহবাগ ক্রসিং হয়ে প্রবেশ করতে পারবে। পরিচয় দিয়ে নীলক্ষেত ক্রসিং হয়ে হেঁটে  প্রবেশ করা যাবে। 

গুলশান ও বনানী এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ওই এলাকায় বসবাসরত নাগরিকরা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) ও মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। 

গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করে না, তাদের বর্ণিত এলাকায় না যেতে বলা হয়। রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না।

গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না। রাত ১০টার পর সব ফাস্ট ফুড দোকান বন্ধ থাকবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আবাসিক হোটেলগুলোয় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করা যাবে। তবে কোনোভাবেই ডিজে পার্টি করা যাবে না। 

৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।  

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*