Monday , 8 March 2021
Home » জাতীয় » আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়”
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়”
--ফাইল ছবি

আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়”

অনলাইন ডেস্ক:

‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। এই নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছি।’

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) ২০২০-২০২১ কোর্সের গ্রাজুয়েশন সেরিমনিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ নীতিমালা জাতির পিতা আমাদের দিয়ে গেছেন। আর এ নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছি। কেউই বলতে পারবে না যে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের সঙ্গে কোনো বৈরি সম্পর্ক আছে। আমরা মোটামুটি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে চলছি।’

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে মিয়ানমার থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত করা দেশটির নাগরিকদের আশ্রয় দান এবং নিজ দেশে যাতে ফিরে যেতে পারে, সেজন্য আমরা কিন্তু কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইনি।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে তারা যেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একটা বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব নিয়েই আমরা এ কাজ করে যাচ্ছি। তবে যারা অন্যায় করছে নিশ্চয়ই সেটা আমরা বলবো। আমরা চাই, তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নিয়ে যাক, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।’ 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এতজন বাস্তুচ্যুত মানুষ, যারা নির্যাতিত হয়েছিল, তাদের আশ্রয় দেওয়ায় সারা বিশ্ব আমাদের প্রশংসা করেছে, সাধুবাদ জানাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ঐক্য উন্নয়নে বাংলাদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবময় ভূমিকা রাখছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদসহ নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা বিপন্ন মানবতার ডাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি।’

গ্র্যাজুয়েশন পাওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, এ দেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন করেছি। এ দেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছিলেন। আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফসল আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হবার সক্ষমতা অর্জন করেছি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য আরও অনেক দূর যাওয়া।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*