Tuesday , 20 April 2021
Home » দৈনিক সকালবেলা » উপজেলার খবর » কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্কুল কমিটি নির্বাচনে অভিভাবক ভোট কেনা-বেচার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্কুল কমিটি নির্বাচনে অভিভাবক ভোট কেনা-বেচার অভিযোগ

আকরামুজ্জামান আরিফ, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিভাবক ভোট ১ হাজার টাকায় কেনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল শোডাউন সহ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 
অভিবাবক সদস্য পদপ্রার্থী চেয়ার প্রতীকের কাবিল হাসান জানান, আগামীকাল ২০ মার্চ যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন । এই প্রথম  বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন হচ্ছে। বর্তমানে শরিফুল ইসলাম যিনি সভাপতি রয়েছেন তার দাদা স্কুলের জমিদাতা হওয়ায় গ্রামের মানুষ সর্বসম্মতিক্রমে তাদের পরিবারের সদস্যদের  বিনা ভোটে সভাপতি  নির্বাচিত করতেন। কিন্তু এবার প্রতিপক্ষ থাকায় নির্বাচন হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল শোডাউন অভিভাবকদের বাড়ির পাশে গিয়ে উচ্চস্বরে হর্ণ বাজানো এবং তাকে নির্বাচন থেকে সরে যাবার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকী দেয়া হচ্ছে। এবং তাদের প্রতিপক্ষের  জাফর খান ও তৌহিদ খান  উত্তর চাঁদপুর হলদার পাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১১ টি পরিবারে শম্ভুচরন হলদার ও রঞ্জন কুমারকে দিয়ে ১ হাজার টাকা ও তাদের প্যাণেলের হ্যান্ডবিল দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি আরো জানান স্কুলের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। 
হলদার পাড়ার ১১টি পরিবারের মধ্যে রমেন কুমার ও বিষ্ণু কুমারের স্ত্রী ১ হাজার টাকা ও হ্যান্ডবিল দেখিয়ে বলেন ১ সপ্তাহ আগে রাত ৮ টার দিকে হটাৎ করেই রঞ্জন ও শম্ভুচরন এসে টাকা দেন এবং ভোট দিতে বলেন। তারা টাকা খরচ না করে ওভাবেই রেখে দিয়েছেন এবং ফেরত দিতে গেলেও তারা নেননি।
এ বিষয়ে শম্ভুচরন হলদার অভিভাবকদের  টাকা দেবার বিষয়ে জানান, রঞ্জন টাকা দিয়েছে তিনি সাথে ছিলেন।
রঞ্জন জানান, জাফর খান ও তৌহিদ খান তার নিকট টাকা দিয়েছে তিনি ১১ টি বাড়িতে টাকা পৌঁছে দিয়েছেন। 
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্যানেলের অভিভাবক সদস্য পদপ্রার্থী ছাতা মার্কা প্রতীকের আব্দুস সবুর খান ও পাখা মার্কা প্রতীকের রহিমা খাতুন ডালিয়া বলেন, সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। প্রতিপক্ষ তাদের ভোটারদের ও টাকা দেয়ার চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা নেননি।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দীন জানান, আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী  অফিসারকে জানিয়েছি।  এলাকায় সরেজমিন গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা নেয়া হবে।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*