Saturday , 19 June 2021
ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » খুলনা বিভাগ » কুষ্টিয়ায় নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

কুষ্টিয়ায় নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

আকরামুজ্জামান আরিফ, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদী ড্রেজিং ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মান কাজে স্বেচ্ছাচারিতা অভিযোগ তুলেছে গ্রামবাসী। প্রায় ৩০-৪০ বছরের পুরাতন নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের যোগাযোগের রাস্তা ও বসত বাড়ী কেটে দিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নির্মান ব্যয় কমাতে নদীর র্নিধারিত সীমানা বাঁধ রেখে কয়েক ফুট উপর থেকে চলছে এই নির্মান কাজ।অভিযোগের আঙ্গুলটি উঠেছে প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশানটেকের দিকে। ভুক্তভুগী পরিবারের বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে চলছে এই নির্মান কাজ। এর ফলে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার পরে যে টুকু ভিটামাটি ছিলো সেটাও হারাতে বসেছে তীরবর্তী এলাকার পরিবারগুলো।র্দীঘদিন পরে কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নে গড়াই নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন রোধে নদী তীর প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মান প্রকল্প মানুষের মনে আশার আলো জাগালেও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে আলো এখন ক্ষোভে পরিনত হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এমন খামখেয়ালি কাজের কারনে এলাকার অনেকইে হারাতে বসেছে তাদের একমাত্র বসতবাড়ী। এসব বিষয় কথা বলতে গেলে ঠিকাদারের লোকজন অসহায় গ্রামবাসীকে প্রভাবশালী মহল ও  প্রশাসনের মাধ্যমে চাদাবাজীসহ বিভিন্ন মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও জানান এলাকাবাসী।নদী তীর প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মান কাজে ব্যবহৃত ব্লক তৈরিতে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। তাদের দাবী, যে নিয়মে ব্লক তৈরি করার কথা তা না করে ইচ্ছে মত পাথর, বালি ও সিমেন্ট মিশিয়ে বানানো হচ্ছে ব্লক।অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লালবাবুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানেন, নকশা ও নিয়ম মেনেই সকল কাজ সম্পাদন করা হচ্ছে। কতৃপক্ষ যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন তার বাইরে গেলে তারাতো বিলনা দেবেনা। আমরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আপনার আরও কিছু জানতে হলে কর্তৃপক্ষর সাথে যোগাযোগ করেন।পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম জহুরুল হক জানান, যাদের বাড়ীর পাশে ভাঙ্গন আছে তাদের বাড়ী সরিয়ে নিতে হবে। পানির পাশ থেকে কাজ করতে গেলে সেখানে ফিলিং করতে হয় আর ফিলিং করলে বাঁধ মজবুত হয় না বলেই উপর থেকেই কাজ করা হচ্ছে। টেকসই কাজ করতে গেলে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করেই করতে হবে। ওখানে যে জায়গায় উচ্ছেদ করা হচ্ছে সেটা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা। প্রয়োজন হলে বোর্ড সে জায়গা অবশ্যই নেবে।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*