Monday , 26 July 2021
ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » খুলনা বিভাগ » কুষ্টিয়ার দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থী নেতা সন্ত্রাসী পিয়ার আলী এখন রাজপথে
কুষ্টিয়ার দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থী নেতা সন্ত্রাসী পিয়ার আলী এখন রাজপথে

কুষ্টিয়ার দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থী নেতা সন্ত্রাসী পিয়ার আলী এখন রাজপথে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : এক সময়ের চিহ্নিত সন্ত্রাসী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ চরমপন্থী সংগঠন  বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি হক গ্রুপের এমএলের সক্রিয় সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় সামরিক শাখার একদিল বাহিনীর  আঞ্চলিক কমান্ডার কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও বাগুলাট ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মৃত তুরাপ আলী সেখের ছেলে পিয়ার আলী ওরফে পিয়ো (৫২) আবারো তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনায় রাজপথে রয়েছে। তার পিতা ছিলেন একজন দেশোদ্রহী যুদ্ধাপরাধী।প্রায় ২ যুগের বেশি সময় যাবত চরমপন্থী সন্ত্রাসী সংগঠনের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন পিয়ার আলী ওরফে পিয়ো।১৯৯৮ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর রাতে কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়া এলাকায় চরমপন্থী সংগঠন জাসদ গনবাহিনী ও  বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির দুই গ্রুপের নিজেদের অস্তিত্ব লড়াইয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের  ৩ জন নিহত হয়। একজন জাসদ গনবাহিনীর এবং অপর দুইজন বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সিংদাহ গ্রামের রেজওয়ান আলী রাজা ও অপরজন শীর্ষ চরমপন্থী পিয়ো বাহিনীর বাগুলাট ইউনিয়নের দুধকুমরা গ্রামের লতিফ চৌধুরীর ছেলে হিরো চৌধুরী। হিরো চৌধুরী পিয়ার আলীর আপন ভাগ্নে।এই সংঘর্ষের জের ধরে ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়া জজ কৌর্টের এ্যাডভোকেট পিয়ারপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন মিয়ার ছোট ছেলে সৈয়দ নূর মোহাম্মদ বাবুকে কমলাপুর বাজারে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যা করে। ১৯৯২ সালে কমলাপুর বাজারের দোকানপাটকে কেন্দ্র করে পিয়ো বাহিনীর প্রধান পিয়ার আলীর সাথে গোপালপুর পশ্চিম পাড়ার মৃত আফিল সর্দারের ছেলে বাহককে পিয়ার আলীর নিল নকশায় তার বাহিনীরা বাহককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। সেই মামলার আসামীও ছিলেন পিয়ার আলী। সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাহকের বড় ভাই নবী নেওয়াজের বাড়ি ঘেরাও করে হত্যার হমকি দেয় পিয়ার আলী পিয়ো। পরবর্তীতে ভয়ে মামলা তুলে নেন বাহকের  বড় ভাই নবী নেওয়াজ। এ ছাড়াও পিয়ার আলী আদাবাড়িয়ার লাল জমিদারকে বাশগ্রামের বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন।মধুপুরের বাবুকে হত্যা করেছিলেন।নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বলেন, চরমপন্থী সংগঠনের নেতা একদিল ক্রসফায়ারে নিহত হবার পর বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে পিয়ার আলী। তার কাছে এখনো মজুদ রয়েছে একদিলের ভারী ভারী আগ্নেয়াস্ত্র। যার কারনে পিয়ার আলী নতুন করে চরমপন্থী সংগঠন তৈরী করে বীরদর্পে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুধকুমরা চর থেকে শুরু করে চাপড়া ইউনিয়নের একাংশ। বর্তমানে সন্ত্রাসী পিয়ার আলীর ভয়ে  আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে এলাকার সাধারন জনগন । এ বিষয়ে বাগুলাট ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী প্রতিবেদককে বলেন, পিয়ার আলো এখনো ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি ও ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন,, এ রকম কোন অভিযোগ থানাতে আসেনাই । তবে এ রকম ঘটনা ঘটে থাকলে সুনির্দিষ্ট প্রমান পাওয়া গেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। 

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*