প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ইরানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করে সামরিক সাফল্য অর্জন করেছেন। যদিও এর সত্যতা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, বিশ্লেষকেরা মনে করছেন এটি ইরান-আমেরিকার মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধের ইঙ্গিত। ইরান ইতিমধ্যে পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে এবং তাদের হাতে রয়েছে সাইবার হামলা, সামরিক ঘাঁটি ও তেলবাহী জাহাজে হামলার মতো বিকল্প।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে সংঘর্ষ হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে। একইসাথে প্রশ্ন উঠছে, এই হামলা কি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামাতে পেরেছে, নাকি তা আরও বেগবান হবে। ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ জ্ঞান ধ্বংস না হওয়ায় ভবিষ্যতে তারা অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে।
সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা হলো, এটি কি কেবল একটি সংঘর্ষ, নাকি বৃহৎ যুদ্ধের সূচনা? ইসরায়েল-আমেরিকার মিলিত পদক্ষেপ কি ইরানে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনবে, নাকি আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে? অনেক ইরানি সরকারবিরোধী হলেও বাইরের সামরিক হস্তক্ষেপে তারা সমর্থন দিচ্ছে না।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের বিজয়ঘোষণার বিপরীতে বাস্তবতা এখনো অনিশ্চিত, বিপজ্জনক এবং কূটনৈতিক পথের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
