ইজতেমার প্রথম ধাপের মোনাজাতের সময় ড্রোনের ধাক্কায় বেলুন ফেটে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ড. নাজমুল করীম খান।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপের ইজতেমা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজ থেকে দ্বিতীয় ধাপ শুরু হল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি আগের মতোই আছে।
২৩৫টি সিসি ক্যামেরা ও বাইনোকুলার দিয়ে মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।আজ সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে বিদেশী খিত্তার পাশে স্থাপিত জিএমপির নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং করে জিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন।
জিএমপি কমিশনার বলেন, গতকাল মোনাজাতের সময় পাবলিকের ড্রোনের ধাক্কায় বেলুন ফেটে আতঙ্ক তৈরি হয়। তাই ড্রোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইজতেমা ময়দানের দুই কিলোমিটারের মধ্যে অনুমতি ছাড়া কেউ ড্রোন উড়াতে পারবেন না।প্রথম ধাপে সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি দ্বিতীয় ধাপেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
এসময় পুলিশ কমিশনারের সাথে জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার সহ উপকমিশনার বৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও আয়োজক কমিটির পক্ষে শুরায়ে নেজামের মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনার পর আতঙ্ক তৈরি হয়। তবে ঘটনার ২৬ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ ড্রোন উদ্ধার করে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
শুরায়ে নেজামের অধীনে গতকাল রবিবার সকাল ৯টা ১১ মিনিট থেকে ৯টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ২৪ মিনিটের আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্ব-ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম ধাপ। আজ সোমবার ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। ৮ দিন বিরতি দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করবেন সাদ অনুসারীরা।
১৬ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার ৫৮তম আসর।