Monday , 22 July 2024
E- mail: news@dainiksakalbela.com/ sakalbela1997@gmail.com
ব্রেকিং নিউজ

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রবিউলের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য ও নারী ক্যালেংকারীর অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাধারণ শাখার ভারপ্রাপ্ত প্রধান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষের আশ্রয় নিয়ে প্রতারনা করে সাধারন অসহায় মানুষদের কাছ থেকে সরকারি খাস জমি লিজ দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাধ এবং কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর যদুবয়রা গ্রামের  আ অক্ষরের (ছদ্মনাম) আছিয়া (৩২) এর সাথে অবৈধভাবে অসামাজিক কার্যকলাপ করার অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বরাবর রবিউল ইসলাম ও আছিয়া বেগমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এলাকাবাসী।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, রবিউল ইসলাম কুমারখালী উপজেলা ভুমি অফিসে কর্মরত অবস্থা থেকে  আছিয়ার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন। সম্পর্কের শুরু থেকেই রবিউল আছিয়ার বাড়ি যদুবয়রাতে যাতায়াত করতো। যাতায়াতের মাধ্যমে এলাকার পাশের সাধারন মানুষকে সরকারি খাস জমি লিজ দেওয়ার নাম করে রবিউল ও আছিয়া লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরবর্তীতে সাধারন মানুষ যখন তাদের লিজকৃত জমি পাইনাই তখন  রবিউল ও আছিয়া বেগমের কাছে টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাদেরকে বিভিন্ন রকম ফাদে ফেলে মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়। এ ছাড়া রবিউল প্রতিনিয়ত আছিয়ার বাড়িতে অবৈধভাবে বছরের পর বছর যাতায়াত করে অসামাজিক  কার্যকলাপ করার কারনে বিষয়টি সমাজের কাছে খারাপ মনে হলে  এলাকাবাসী রবিউল ও আছিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে এলাকাবাসীদের রবিউল বলেন আমি জেলা প্রশাসকের অফিসে চাকুরী করি আমাকে কেউ বাধাগ্রস্ত করলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেবো বলে ভয়ভীতি প্রদান করেন৷এ বিষয়ে ভুক্তভোগী যদুবয়রা এলাকার আব্দুল মোমিন বলেন,আমার বাড়ির পাশের সরকারি খাস জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সাধারন শাখায় কর্মরত রবিউল ইসলাম আমাদের ৪ ভাইয়ের নিকট থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়,পরবর্তীতে আমার কাজ না  হলে আমি টাকা চাইলে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি প্রদান করেন। তিনি আমাদের এলাকার আছিয়া বেগমের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ কাজ করেন।কেউ বাধা দিলে তাদেরকে বিভিন্ন রকম লোকবল দিয়ে মারপিট করেন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক মহিলা জানান,ডিসি অফিসের রবিউল ইসলাম আমাদের গ্রামে প্রায় ৫ বছর যাবত আছিয়া বেগমের বাড়িতে যাতায়াত করে অসামাজিক কার্যকলাপ করেন। অতিতে আছিয়া বেগমের সরকারি জমিতে টিনের তৈরি বাড়ি ছিলো। বর্তমানে রবিউল ইসলামের সাথে অবৈধ সম্পর্কের পর থেকে আছিয়ার বাড়িতে যাতায়াতের করে সেখানে আইনের অবৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে রবিউলের ক্ষমতার বলে সরকারি খাস জমিতে আলিশান পাকা বাড়িতে উপরে ছাদ ঢালাই দিয়েছে।এলাকাবাসীর ধারনা রবিউলের অবৈধভাবে কামানো টাকা দিয়ে আছিয়া বেগমকে আলিশান বাড়ি করে দিয়েছেন। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীদের দাবি মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় উপরোক্ত বিষয়গুলো সু বিবেচনা করে রবিউল ইসলাম ও আছিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহন করে আইনের আওতায় আনবেন।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply