অনলাইন ডেস্কঃ
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালে দেশের বিভিন্ন সেবাখাতে দুর্নীতি ও ঘুসের শিকার হওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। জরিপে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট, বিআরটিএ, বিচার-সংশ্লিষ্ট সেবা, আইনশৃঙ্খলা ও ভূমি—এই পাঁচ সংস্থাকে এই সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত খাত। প্রতিষ্ঠানটির খানা জরিপে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ গড় ঘুস গ্রহণকারী হিসেবে উঠে এসেছে পাসপোর্ট, বিআরটিএ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কৃষি ও ভূমি সেবা খাত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। ১৮টি খাত ও সেবার ওপর জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
টিআইবি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাসপোর্ট সেবায় ঘুষের শিকার হওয়া খানার হার জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ। ভৌগোলিক অবস্থানভেদে এই হার গ্রামাঞ্চলে ৭৯ দশমিক ১ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ।
পাসপোর্ট অফিসের পর অন্যান্য প্রধান সেবা খাতগুলোর ঘুষের হার যথাক্রমে—বিআরটিএ ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ, কৃষি ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ভূমি সেবা ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সার্বিকভাবে দেশের ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার অন্তত একটি খাতে ঘুষের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে পাসপোর্ট খাতের চিত্রটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক।
টিআইবির খানা জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে সেবা খাতে জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবি-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
