অনলাইন ডেস্কঃ
জামায়াতের এমপি সাহেব মনে হয় এবার আর শেষ রক্ষা পাচ্ছেন না! নৈতিকতা আর চরম নৈতিক স্খলনের যে জালে তিনি ফেঁসে যাচ্ছেন, সেখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো পথ নেই।
হোটেল কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে ভাইরাল হওয়ার পর এমপি সাহেব আর তার দলের লোকেরা খুব চটজলদি দাবি করে বসলেন—‘আরে, এটা তো ওনার দ্বিতীয় স্ত্রী!’
কিন্তু ঘটনার পর তরুণী মরিয়ম খাতুনের আসল বায়োডাটা বা জীবনবৃত্তান্ত সামনে আসতেই এই সস্তা মিথ্যার বেলুন এক সেকেন্ডে ফেটে গেছে!
এই একটিমাত্র কাগজের দলিল প্রমাণ করে দেয় যে, এমপি সাহেবের নৈতিক স্খলন হয়েছে। তিনি পরকীয়া করছেন। মেয়েটি অবিবাহিত ছিল।
বয়স মাত্র ১৮? যেখানে এমপি সাহেবের বয়স ৭৬?
গাজী নজরুল ইসলামের সঠিক জন্ম তারিখ হলো ১ মে ১৯৫০। ২০২৬ সালের বর্তমান সময় অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৭৬ বছর ২ মাস।
লজ্জা তো তখন আরও বেশি লাগে, যখন দেখা যায় বায়োডাটা অনুযায়ী মেয়েটি এই ২০২৬ সালে এসে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাত্র এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এবং তার বর্তমান বয়স মাত্র ১৮ বছর ২ মাস!
যে মেয়েটি এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এমপির দরবারে সুপারিশের জন্য এলো, তাকে রাতারাতি পর্দার আড়ালের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বানিয়ে দেয়া কি নৈতিকতার চরম অবক্ষয় নয়?
এমপির নিজের হাতে সিল স্বাক্ষর মেরে সুপারিশ করা বায়োডাটায় পরিষ্কার এবং বড় অক্ষরে ‘Unmarried’ (অবিবাহিত) উল্লেখ করা আছে।
যদি তিনি এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ই হবেন, তবে নিজের জীবনবৃত্তান্তে বুক ফুলিয়ে ‘অবিবাহিত’ লেখার সাহস তিনি কোথায় পেলেন?
তামাশার চরম পর্যায় দেখুন! এই ‘অবিবাহিত’ লেখা কাগজের বাম পাশে সবুজ কালিতে জ্বলজ্বল করছে খোদ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম সাহেবের নিজের অফিশিয়াল সিল, স্বাক্ষর এবং জোর সুপারিশ!
যদি বায়োডাটার দেওয়া ‘অবিবাহিত’ তথ্যটিই ১০০ ভাগ সত্য হয়, তবে আজ সিসিটিভি ফুটেজে নোংরামি হাতেনাতে ধরা পড়ার পর কোন শরীয়ত মোতাবেক তাকে রাতারাতি ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র পবিত্র তকমা দিয়ে হালাল করার চেষ্টা করছেন?
প্রথমে সস্তা অজুহাত দেয়া হলো—ভিডিওটি নাকি ‘এআই (AI) দিয়ে তৈরি ফেক ভিডিও’! কিন্তু যখন একের পর এক সিসিটিভি ফুটেজ আর এই অকাট্য বায়োডাটা সামনে এসে এমপির চরিত্রকে নগ্ন করে দিল, তখন তড়িঘড়ি করে নামানো হলো ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র পুরনো ক্যাপসুল!
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
