বরিশালে বাসভাড়া নিয়ে তর্ক–বিতর্ক থেকে শুরু হয়ে শেষ পর্যন্ত তা পরিণত হয়েছে ব্যাপক সহিংসতায়। নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে শনিবার সন্ধ্যায় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থী ও বাসশ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনার জেরে শতাধিক বাস, একাধিক কাউন্টার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। নুর পরিবহনের একটি বাসে আগুনও দেওয়া হয়। রাত ৯টার পর সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির পর শতাধিক শিক্ষার্থী টার্মিনালে অবস্থান থাকা বাসে হামলা চালান। একপর্যায়ে শ্রমিকরাও গোল চত্বরে জড়ো হয়ে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন।
বিএমপি এয়ারপোর্ট থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভাড়া নিয়ে তর্কের বিষয়টি মীমাংসার পথে ছিল। কিন্তু উত্তেজনাকর একটি মন্তব্যের কারণে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়।
বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারেফ হোসেন বলেন, টার্মিনালের সব বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। কাউন্টার ভাঙা, টাকা–পয়সা লুট—সবই হয়েছে। হাজারের মতো লোক ছিল। ছাত্র নাকি বহিরাগত, আমরা নিশ্চিত নই। ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে আজ রবিবার বাস চালানো সম্ভব হয়নি।
সহিংসতার কারণে নগরের সবচেয়ে বড় পরিবহন কেন্দ্রটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও বাস মেরামতের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
