দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কার্যকর লাগাম টানতে ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর যুক্ত হচ্ছে জাতীয় ডাটাবেজে। ফলে চোরাই ও অবৈধ ফোন শনাক্ত করা সহজ হবে। তবে এনইআইআর চালুর পর কিছু বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা।
এনআইডিতে অনেক ফোন সচল দেখানোর কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডেটা সেট পেয়েছি।
তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে বলা হয়েছে আগে ভিএপিটি করা হয়েছিল। তবে নতুন করে আরেকবার ভিএপিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই সিস্টেমটা আমরা নতুন ইন্সটল করিনি, এটা আগে থেকেই ছিল। ২০২১ সালে প্রথম চালুর চেষ্টা হয়েছিল। কিছু ফাংশনাল ফিচার বাড়িয়ে এখন সচল করা হয়েছে।’
প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, ‘বাংলাদেশে একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে প্রথমে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল। যা বর্তমানে ১০-এ নামিয়ে আনা হচ্ছে। ফলে এনইআইআর ম্যাপিংয়ে এনআইডির বিপরীতে হিস্টোরিক ডেটায় অনেক বেশি হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখানো স্বাভাবিক।’
ফয়েজ তৈয়্যাব বলেন, ‘এর মাধ্যমে সমাজের সচেতনতা তৈরি হবে, ব্যক্তির এনআইডির বিপরীতে কত সিম ব্যবহার হয়েছিল, সিমের বিপরীতে কত ডিভাইস ব্যবহার হয়েছিল। এসব তথ্য মানুষ জানতে পারবেন এবং সচেতন হতে পারবেন। ব্যক্তির এনআইডির বিপরীতে নিবন্ধিত সিম বা ডিভাইসে মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত আর্থিক অপরাধ হচ্ছে কিনা, এটা জানা ব্যক্তির নাগরিক অধিকার।’
ডাটাবেজ নিরাপদ করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপদ ডিজিটাল টোকেন JWT কাজ করছে। রেট লিমিট করা হয়েছে। এখন থেকে ডাটা পেতে এনআইডি জানতে হবে, এনআইডির বিপরীতে আইএমইআই রেসপন্স করতে বলা হয়েছে। ১৩, ১৭ ও ১০ ডিজিট এনআইডির তিনটা ম্যাপিং করা আছে। একটা এপিআই-এ এনআইডি দেওয়ার পরে যে আইএমইআই রেসপন্স আসছে এটা আমাদের নজরে এসেছে। এনআইডি নাম্বার জানা থাকলে এই ধরনের ডাটা আসবে। অধিকতর নিরাপত্তার জন্য এখানে আরেকটা লেয়ার যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
